দেশের বিস্তীর্ণ ফসলের মাঠে এখন উড়ছে আধুনিক কৃষি ড্রোন। সেন্সর ক্যামেরার সাহায্যে ফসলের কোন অংশে পোকার আক্রমণ হয়েছে তা তাৎক্ষণিক শনাক্ত করে নিখুঁতভাবে তরল জৈব সার ও বালাইনাশক স্প্রে করা হচ্ছে।
সময় ও উৎপাদন ব্যয়ের সাশ্রয়
কৃষিবিদরা জানান, প্রচলিত পিঠের স্প্রে মেশিনের তুলনায় ড্রোনের মাধ্যমে প্রতি একরে মাত্র ৫ থেকে ৭ মিনিটে কাজ সম্পন্ন হয়। এতে কীটনাশক ও পানির অপচয় প্রায় ৭০ শতাংশ কমে যায়, যা কৃষকের উৎপাদন ব্যয় অনেকটাই কমিয়ে দেয়।
তরুণ কৃষি উদ্যোক্তারা ড্রোন সার্ভিস সেন্টার চালু করে আধুনিক কৃষিসেবা ছড়িয়ে দিচ্ছেন, যা খাদ্য নিরাপত্তা ও টেকসই কৃষির পথে এক নতুন বিপ্লব।