Home > খেলাধুলা > সাকিবের ব্যাটে আফগানিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ

সাকিবের ব্যাটে আফগানিস্তানকে হারাল বাংলাদেশ

আফগানিস্তানকে চার উইকেটে হারিয়ে ত্রিদেশীয় টি-টোয়েন্টি সিরিজের লিগ পর্বের খেলা শেষ করল বাংলাদেশ।

দুই দল ত্রিদেশীয় সিরিজের ফাইনাল আগেই নিশ্চিত করে রেখেছিল। আজ ছিল শ্রেষ্ঠত্ব লড়াই। তাতে বাংলাদেশ জিতেছে ভালোভাবেই।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদে আফগানিস্তানকে আগে ব্যাটিংয়ে পাঠিয়ে ১৩৮ রানে আটকে রাখে বাংলাদেশ। সহজ লক্ষ্য কঠিন করে পৌঁছে বাংলাদেশ। ছয় উইকেট হারিয়ে এক ওভার আগে জয়ের বন্দরে নোঙর ফেলে বাংলাদেশ।

স্কোর: বাংলাদেশ ১৩৯/৬ (১৯ ওভার)

আফগানিস্তান ১৩৮/৭ (২০ ওভার)

ম্যান অব দ্য ম্যাচ সাকিব

টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারের পঞ্চম ম্যান অব দ্য ম্যাচের পুরস্কার গ্রহণ করলেন সাকিব আল হাসান। অলরাউন্ডার পারফরম্যান্সে সাকিব আরেকটি জয় এনে দিলেন দলকে। ব্যাট হাতে আট চার ও এক ছক্কায় ৪৫ বলে ৭০ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। বল হাতে উইকেট পেয়েছেন একটি।

চার ম্যাচ পর আফগান বধ

টি-টোয়েন্টিতে আফগানিস্তানের বিপক্ষে চার ম্যাচ পর জিতল বাংলাদেশ। দেরাদুনে হোম সিরিজে আফগানিস্তান ৩-০ ব্যবধানে বাংলাদেশকে হোয়াইটওয়াশ করেছিল। পরবর্তীতে ঢাকায় চলতি ত্রিদেশীয় সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশকে হারায় আফগানিস্তান। বাংলাদেশ প্রতিশোধ নিল চট্টগ্রামে। চার ম্যাচ পর চার উইকেটে আফগানিস্তানকে হারাল সাকিবের দল।

রশিদের এক ওভারে ১৮

মোসাদ্দেকের চার। সাকিবের পরপর দুই বলে চার ও ছক্কা। তাতেই এলোমেলো রশিদ খানের তৃতীয় ওভার। ১৮ রান দিয়ে বাংলাদেশকে যেন ম্যাচ উপহার দিলেন আফগানিস্তানের অধিনায়ক।

হতাশ করলেন আফিফ

সাকিবের ব্যাটে লক্ষ্যের পথে এগিয়ে যাচ্ছে বাংলাদেশ। কিন্তু সাকিবকে সঙ্গ দিতে পারছেন না কেউ। মাহমুদউল্লাহর পর বাজে শটে রশিদ খানকে উইকেট উপহার দিয়েছেন আফিফ হোসেন। উইকেট থেকে সরে বড় শট খেলতে গিয়ে বল মিস করে বোল্ড হন আফিফ। চার বলে তার ব্যাট থেকে আসে দুই রান। তার আউটের সময় বাংলাদেশের রান ছয় উইকেটে ১০৪।

সাকিবের নবম

নাবিনের বল আলতো টোকায় ডিপ মিড উইকেটে পাঠিয়ে দুই রান নিলেন সাকিব। ৪৯ থেকে সাকিবের রান হয়ে গেল ৫১। আফগানিস্তানের বিপক্ষে প্রথম টি-টোয়েন্টি হাফ সেঞ্চুরি এবং ক্যারিয়ারের নবম। ৩৪ বলে সাত বাউন্ডারিতে মাইফলকে পৌঁছান সাকিব। ওই রানে বাংলাদেশের দলীয় রান ১০০ ছাড়িয়ে যায়।

সাব্বির কি করতে চাইলেন?

নাবিনের সোজা বল থার্ড ম্যান অঞ্চলে খেলতে চাইলে। কিন্তু এমনভাবে খেলতে চাইলেন যে বল ব্যাটে আসার আগেই শট চালিয়ে দিলেন। তার ব্যাটের চুমু খেয়ে বল যায় উইকেট কিপারের হাতে। মাত্র দুই বলে এক রান করেন সাব্বির। তার আউটের সময় বাংলাদেশের রান পাঁচ উইকেটে ৯৬।

ফিরেই রশিদ খানের উইকেট

হ্যামস্ট্রিংয়ে টান পড়ে অষ্টম ওভারে মাঠের বাইরে গিয়েছিলেন রশিদ খান। ১১তম ওভারে মাঠে ফিরে বোলিং করতে চেয়েছিলেন। কিন্তু অনফিল্ডে পর্যাপ্ত সময় না থাকায় মাঠে নেমে বোলিং করতে পারেননি আফগান অধিনায়ক। ১৪তম ওভারে বল হাতে পান। প্রথম ওভারেই পেয়ে যান সাফল্য। মাহমুদউল্লাহকে এলবিডব্লিউ করান রশিদ। আট বলে ছয় রান করে থামেন মাহমুদউল্লাহ। তার আউটের সময় বাংলাদেশের রান চার উইকেটে ৯৩।

ফ্লাড লাইট গোলযোগে বন্ধ খেলা

সাকিবের আউটের রিভিউ চেয়েছিল আফগানিস্তান। আম্পায়ারের সিদ্ধান্ত টিকে যায়। কিন্তু সিদ্ধান্ত জানানোর পর খেলা শুরু করতে পারেননি আম্পায়াররা। স্টেডিয়ামের একপাশের ফ্লাড লাইট গোলযোগের কারণে ১৪ মিনিট খেলা বন্ধ ছিল।

বেশিদূর গেলেন না মুশফিক

১৪ রানে জীবন পাওয়ার পর বেশিদূর যেতে পারেননি মুশফিক। করিম জানাতের বলে শফিকউল্লাহর হাতে ক্যাচ দেওয়ার আগে ২৫ বলে করেন ২৬ রান। ব্যক্তিগতভাবে বড় ইনিংস খেলতে না পারলেও দলের বিপর্যয়ে হাল ধরেছিলেন মুশফিক। সাকিবের সঙ্গে তৃতীয় উইকেটে ৪৪ বলে ৫৮ রানের জুটি গড়েছিলেন। ‍মুশফিকের আউটের সময় বাংলাদেশের রান তিন উইকেটে ৭০।

শেষ ১০ ওভারে দরকার ৭৭

পাওয়ার প্লে’তে সুবিধাজনক স্থানে না থাকলেও পরবর্তী চার ওভারে দ্রুত রান তুলে প্রথম ১০ ওভার ভালোভাবে রিকোভার করেছে বাংলাদেশ। ১০ ওভার শেষে বাংলাদেশের রান দুই উইকেটে ৬২। জয়ের জন্য শেষ ১০ ওভারে বাংলাদেশের তুলতে হবে ৭৭ রান।

জীবন পেলেন মুশফিক

নবীর বলে ডাউন দ্য উইকেটে এসে তুলে মারতে গিয়ে মিড উইকেটে ক্যাচ তোলেন মুশফিকুর রহিম। কিন্তু তার সহজ ক্যাচ ছাড়েন নাজিব তারাকাই। রশিদ খানের বদলে ফিল্ডিং করছেন নাজিব। ১৪ রানে জীবন পান মুশফিক।

বাংলাদেশের ৫০

নবম ওভারের শেষ বল চার হাঁকালেন সাকিব। এর আগের বলেও তার ব্যাট থেকে আসে চার রান। টানা দু্ই চারে ৪৩ থেকে বাংলাদেশের রান ৫১ এ নিয়ে যান সাকিব।

পাওয়ার প্লে’তে নড়বড়ে বাংলাদেশ

শুরুটা হয়েছে একদম বাজে। দুই ওপেনার দলকে ডুবিয়ে যান শুরুতে। সুযোগটি কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের ওপর চেপে বসেছিল আফগানিস্তান। পাওয়ার প্লে’তে বাংলাদেশ তুলেছে মাত্র ২৮ রান। উইকেটে আছেন সাকিব ও মুশফিক। দুই অভিজ্ঞ ক্রিকেটার দলকে জয় এনে দিতে পারেন কিনা সেটাই দেখার। জয়ের জন্য ৮৪ বলে দরকার ১১১ রান।

লিটন-শান্ত ফিরলেন বাজে শটে

নিজেদের উইকেটে মূল্যই দিলেন না দুই ওপেনার লিটন কুমার দাস ও নাজমুল হোসেন শান্ত। মুজিব উর রহমানের সোজা ডেলিভারী ক্রস খেলতে গিয়ে হাওয়ায় ক্যাচ দেন ১০ বলে চার রান করা লিটন। পরের ওভারে নাভিন উল হকের বলে চেক শট খেলতে গিয়ে শান্ত ক্যাচ দেন পাঁচ রানে। ১২ রান তুলতেই বাংলাদেশের ওপেনাররা সাজঘরে।

বোলিংয়ে রঙিণ আফিফ

দশম ওভারে বোলিংয়ে এসে আফিফ তুলে নেন জাজাই ও আসগরের উইকেট। ওই ওভারে কোনো রানই দেননি। পরের দুই ওভারে খরচ করেন মাত্র নয় রান। তার বোলিং স্পেল ছিল এরকম ৩-১-৯-২। দুই উইকেট নিয়ে বাংলাদেশের সেরা আফিফ। এছাড়া তিন পেসার সাইফউদ্দিন, শফিউল ও মুস্তাফিজ পেয়েছেন একটি করে উইকেট। অধিনায়ক সাকিবের পকেটে গেছে এক উইকেট।

লক্ষ্য নাগালে রাখল বাংলাদেশ

শুরুটা ভালো করেছিল আফগানিস্তান। প্রথম ৯ ওভারে কোনো উইকেট না হারিয়ে স্কোরবোর্ডে তুলেছিল ৭৫ রান। বড় সংগ্রহের পথে থাকা আফগানিস্তানকে থামিয়ে দ্বিতীয় অর্ধে ম্যাচে ফিরে বাংলাদেশ। পরের ১১ ওভারে ৬৩ রান জমা করে সফরকারীরা। এজন্য হারায় সাত উইকেট। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট নিয়ে বোলাররা থিতু হতে দেননি কোনো ব্যাটসম্যানকে।

শফিউলের শিকার করিম

প্রথম ওভারে শফিউল পেয়ে যেতেন উইকেট। কিন্তু মাহমুদউল্লাহ ক্যাচ জমাতে পারেননি। নিজের তৃতীয় ওভারে এসে আক্ষেপ দূর করেন ডানহাতি পেসার। তার শর্ট বলে ক্যাচ তোলেন করিম জানাত। ফাইন লেগে সহজ ক্যাচ দেন মুস্তাফিজুর রহমান। করিম ফেরার সময় আফগানিস্তানের রান সাত উইকেটে ১১৪।

সাইফ উদ্দিনের ইয়র্কারে বোল্ড নাজিবুল্লাহ

ডানহাতি পেসার সাইফ উদ্দিনের ইয়র্কারে কিছু করার ছিল না নাজিবুল্লাহ জারদানের। বোল্ড হয়ে বাঁহাতি ব্যাটসম্যান সাজঘরে ফিরলেন ১৪ রানে। তার আউটের সময় আফগানিস্তানের রান ছয় উইকেটে ১০৯।

আফগানিস্তানের ১০০

সাকিবের বল হাঁটু মুড়ে বসে মিড উইকেট দিয়ে বিশাল ছক্কা হাঁকালেন শফিকউল্লাহ। ৯৬ থেকে আফগানিস্তানের রান এক লাফে গেল ১০২ এ। ১৪.২ ওভারে দলীয় শতরানের স্বাদ পায় আফগানিস্তান।

রান আউটে ফিরলেন গুলবাদিন

মাহমুদউল্লাহর থ্রো ঠিকঠাক ছিল না। খানিকটা কষ্ট করেই বল তালুবন্দি করে উইকেট ভাঙলেন মুশফিক। তাতে বাংলাদেশ পেল সাফল্য। এক বলে এক রান করে গুলবাদিন রান আউট হয়ে ফিরলেন সাজঘরে। তার আউটের সময় আফগানিস্তানের রান পাঁচ উইকেটে ৯৬।

সাকিব ফেরালেন বিপজ্জনক নবীকে

লিগ পর্বের প্রথম ম্যাচে ৮৪ রানের বিস্ফোরক ইনিংস খেলে বাংলাদেশকে একাই হারিয়েছিলেন মোহাম্মদ নবী। ডানহাতি ব্যাটসম্যান বরাবরই বাংলাদেশের জন্য হুমকি। সাকিব বিপজ্জনক এ ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে স্বস্তি দিলেন বাংলাদেশ শিবিরে। বাঁহাতি স্পিনারের ঘূর্ণিতে পরাস্ত হয়ে এলবিডব্লিউ হন নবী। ছয় বল চার রান করে সাজঘরে ফেরেন নবী। তার আউটের সময় আফগানিস্তানের রান চার উইকেটে ৮৮।

এবার ফিরলেন রহমানুল্লাহ

এক রানে মাহমুদউল্লাহর হাতে জীবন পাওয়ার পর রহমানুল্লাহ করলেন ২৯ রান। ১১তম ওভারে তাকে সাজঘরের পথ দেখান মুস্তাফিজুর রহমান। বাঁহাতি পেসারের শর্ট বলে ফিরতি ক্যাচ দেন রহমানুল্লাহ। তার আউটের সময় আফগানিস্তানের রান তিন উইকেটে ৮০।

আফিফের জোড়া আঘাত

জাজাইয়ের পর আসগর আফগানকে টিকতে দিলেন না আফিফ হোসেন। ডানহাতি অফস্পিনারের স্পিনের বিপরীতে বড় শট খেলতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করেন আসগর আফগান। রানের খাতা খোলার আগেই শান্তর হাতে ক্যাচ দেন এ অভিজ্ঞ ক্রিকেটার। তার আউটের সময় আফগানিস্তানের রান দুই উইকেটে ৭৫।

আফিফের হাত ধরে প্রথম সাফল্য

উইকেটের খোঁজে থাকা বাংলাদেশ প্রথম সাফল্য পেল দশম ওভারে। ছয় বোলার দিয়েও যখন কাজ হচ্ছিল না তখন আফিফ হোসেনকে বোলিংয়ে আনেন সাকিব আল হাসান। ডানহাতি অফস্পিনারের হাত ধরেই আসল প্রথম সাফল্য।

আফিফের প্রথম দুই বলে বিট হওয়ার পর তৃতীয় বল সুইপ করতে গিয়ে শর্ট লেগে ক্যাচ দেন জাজাই। ৩৫ বলে ৪৭ রান করেন বাঁহাতি ব্যাটসম্যান। বাঁহাতি ব্যাটসম্যানের আউটের সময় আফগানিস্তানে রান এক উইকেটে ৭৫। টি-টোয়েন্টি ক্যারিয়ারে এটি আফিফের প্রথম উইকেট।

আফগানিস্তানের ৫০

অতিরিক্ত খাত থেকে সপ্তম ওভারের পঞ্চম বলে এক রান পেল আফগানিস্তান। ওই রানের সুবাদে আফগানিস্তানের রান পৌঁছে যায় দলীয় ৫০ রানে। দারুণ ব্যাটিংয়ে জুটির পঞ্চাশ রান তুলেছেন রহমানুল্লাহ ও জাজাই।

পাওয়ার প্লে’তে এগিয়ে আফগানিস্তান

টস জিতে বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিলেও পাওয়ার প্লে’তে কোনো উইকেট নিতে পারেনি বাংলাদেশ। ছয় ওভারে আফগানিস্তান স্কোরবোর্ডে তুলেছে ৪২ রান।

রহমানুল্লাহকে জীবন দিলেন মাহমুদউল্লাহ

নিজের প্রথম ওভারে উইকেটের স্বাদ পেয়ে যেতেন শফিউল ইসলাম। ডানহাতি পেসারের শর্ট বল তুলে মারতে গিয়ে রহমানুল্লাহ ক্যাচ দেন শর্ট ফাইন লেগে। কিন্তু সহজ ক্যাচ মিস করে এক রানে রহমানুল্লাহকে জীবন দেন মাহমুদউল্লাহ।

টস

টস জিতে বাংলাদেশের অধিনায়ক সাকিব আল হাসান বোলিংয়ের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

এক পরিবর্তনে বাংলাদেশ দল

অভিষেক ম্যাচে ইনজুরিতে পড়া আমিনুল ইসলাম বিপ্লবকে এ ম্যাচে পাচ্ছে না বাংলাদেশ। তার জায়গায় এসেছেন সাব্বির রহমান।

বাংলাদেশ দল: লিটন দাস, নাজমুল হোসেন শান্ত, সাকিব আল হাসান, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, মোসাদ্দেক হোসেন, আফিফ হোসেন, মোহাম্মদ সাইফউদ্দিন, শফিউল ইসলাম, মুস্তাফিজুর রহমান ও সাব্বির রহমান।

পরিবর্তন আফগানিস্তান একাদশেও

দুটি পরিবর্তন আনা হয়েছে আফগান দলে। করিম জানাত ও নাভিন উল হক দলে ঢুকেছেন।

আফগানিস্তান দল: হজরতউল্লাহ জাজাই, শফিকউল্লাহ শফিক, নাভিন উল হক, করিম জানাত, আসগর আফগান, মোহাম্মদ নবী, নজিবুল্লাহ জাদরান, গুলবাদিন নাইব, রহমানুল্লাহ গুরবানজ, রশিদ খান (অধিনায়ক), মুজিব উর রহমান।

ড্রেস রিহার্সাল বিফর ফাইনাল

দুই দল ২৪ সেপ্টেম্বর মিরপুর শের-ই-বাংলায় ফাইনাল ম্যাচ খেলবে। এর আগে আজ ফাইনালের ড্রেস রিহার্সাল হচ্ছে চট্টগ্রামে। তবে ম্যাচটি বাংলাদেশের জন্য অনেক বড়। আফগানিস্তানের বিপক্ষে টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের রেকর্ড বাজে। শেষ চার মুখোমুখিতে একবারও জেতেনি। ফাইনালের আগে নিজেদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে আজকের ম্যাচে জয় পেতে মুখিয়ে সাকিবের দল।

হেড টু হেড

দুই দলের টি-টোয়েন্টি রেকর্ড ও পরিসংখ্যানে এগিয়ে আফগানিস্তান। ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফরম্যাটে দুই দলের পাঁচবারের দেখায় বাংলাদেশ জিতেছে একটি, ২০১৪ টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে। আর গত বছর আফগানদের হোম ভেন্যু ভারতের দেরাদুনে তিন ম্যাচের সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হয়েছে বাংলাদেশ। এরপর চলতি ত্রিদেশীয় সিরিজের লিগ পর্বের প্রথম ম্যাচেও বাংলাদেশ হেরেছিল।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ