Home > খেলাধুলা > হাথুরুসিংহের কোচিং ক্যারিয়ার পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলাদেশে!

হাথুরুসিংহের কোচিং ক্যারিয়ার পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলাদেশে!

ক্রীড়া ডেস্ক :

২০১১ বিশ্বকাপের পর শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট দল নিয়মিত বিরতিতে কোচ পরিবর্তন করে আসছে। ১১তম কোচ হিসেবে তালিকায় যোগ দিয়েছেন বাংলাদেশের প্রাক্তন কোচ চন্ডিকা হাথুরুসিংহে।

২০৭ প্রথম শ্রেণির ক্রিকেট খেলে ২০০৫ সালে ক্রিকেট ব্যাট উঠিয়ে রেখে কোচিংয়ে মনোযোগী হন হাথুরুসিংহে। সংযুক্ত আরব আমিরাত ও শ্রীলঙ্কা ‘এ’ দলে কোচিং করিয়েছেন ৪৯ বছর বয়সি হাথুরুসিংহে। ছিলেন জাতীয় দলের সহকারী কোচও। অস্ট্রেলিয়ার নিউ সাউথ ওয়েলসে ২০১১ সাল থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত কাজ করেন হাথুরুসিংহে। ২০১৪ সালের মে’তে বাংলাদেশ দলের সঙ্গে যুক্ত হন অভিজ্ঞ এ কোচ। এরপর বাংলাদেশ দলের চিত্রটাই পাল্টে দেন। মাশরাফি, সাকিব, তামিম, মুশফিক, মাহমুদউল্লাহদের বাংলাদেশের সর্বোচ্চ সাফল্য এনে দিয়েছেন হাথুরুসিংহে।

নিউ সাউথ ওয়েলস টু বাংলাদেশ, বাংলাদেশ টু শ্রীলঙ্কা; চন্ডিকা হাথরুসিংহের পথটা এতোটাও মসৃণ ছিল না। অস্ট্রেলিয়ায় কোচিং সম্পর্কে বিস্তৃত ধারণা ও অভিজ্ঞতা সঞ্চার করেছিলেন হাথুরুসিংহে। অস্ট্রেলিয়ায় যে ক্যারিয়ার শুরু হয়েছিল সেটা পূর্ণতা পেয়েছিল বাংলাদেশে!

কোচিংয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা ইসপিএন ক্রিকইনফোকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে শুনিয়েছেন হাথরুসিংহে,

‘আমার কাছে প্রতিটি কাজ নতুন অভিজ্ঞতা নিয়ে আসে। নিউ সাউথ ওয়েলসে আমি কোচ হিসেবে ভালো এক্সপোজার পেয়েছিলাম। এর পাশাপাশি ক্রিকেট অস্ট্রেলিয়ার কোচিং সম্পর্কেও ধারণা পেয়েছিলাম। সিডনি থার্ন্ডারের অভিজ্ঞতা আরও ভালো ছিল।’

 

‘প্রতিটি দলের ভিন্ন গতিবিদ্যা এবং ভিন্ন পরিপক্কতা রয়েছে। আপনার দৃষ্টিভঙ্গিগুলো সেই অনুযায়ী পরিবর্তন হয়। অস্ট্রেলিয়ার সংস্কৃতি ছিল ভিন্ন। তারা সব সময় বড় চিন্তা করে। তারা পরিকল্পনা অনুযায়ী ধারাবাহিকভাবে এগিয়ে যায়। অন্যান্য অনেক দলের থেকে তারা এগিয়ে। পরিকল্পনা বাস্তবায়নের জন্য যথেষ্ট ধৈর্য ধরে। দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে অপছন্দ করে। অস্ট্রেলিয়া থেকে সেই অভিজ্ঞতা আমি পেয়েছি।’

‘বাংলাদেশে একটি ভিন্ন চ্যালেঞ্জ ছিল। কিন্তু আমি আত্মবিশ্বাসী ছিলাম। আমি যা বিশ্বাস করতাম সেগুলোতে আমি আত্মবিশ্বাসী থাকতাম। আমার সিদ্ধান্তের ওপর বিশ্বাস রাখতাম। আমি বোর্ড থেকে অনেক সহযোগিতা পেয়েছি।’- বলেছেন হাথুরুসিংহে।

কোচ হিসেবে বাংলাদেশে থাকাকালিন সময়ে বেশ সুনাম কুড়িয়েছেন চন্ডিকা হাথুরুসিংহে। এ সুনাম কুড়ানোর জন্য কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। দল নির্বাচন থেকে শুরু করে সবকিছুতে নিজের ক্ষমতা প্রয়োগ করেছিলেন! পাশাপাশি অভিযোগ আছে নিজের সিদ্ধান্ত খেলোয়াড়দের ওপর চাপিয়েও দিতেন। এজন্য তাকে ‘মাইক্রোম্যানেজার’ও বলা হতো! সত্যিই কি হাথুরুসিংহে ‘মাইক্রোম্যানেজার’ ছিলেন?

বিষয়টি মানতে নারাজ হাথুরুসিংহে। এক প্রশ্নের জবাবে হেসে উত্তর দেন এভাবে,‘কোচিং পেশা মানেই দায়িত্ব। অন্যের ওপর চাপিয়ে দেওয়ার থেকে আপনার নিজের ওপর দায়িত্বটা নেওয়া জরুরী। যখন সময় ভালো যাবে কিংবা খারাপ সময় আসবে তখন নেতা হিসেবে আপনাকে তাদের দায়িত্বটা নিতে হবে। আমি মনে করি না আমি একজন ‘‘মাইক্রোম্যানেজার’’ ছিলাম।  আমি খেলোয়াড় এবং দলের অন্যান্য স্টাফদের সকল স্বাধীনতা দিয়েছি। যারা বোঝে না তাদের কি করা প্রয়োজন তাদের জন্য আমার কাছে কোনো সময় নেই।’

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ