Home > রাজনীতি > খালেদার দুই মামলার কার্যক্রম ১৮ জুন পর্যন্ত মুলতবি

খালেদার দুই মামলার কার্যক্রম ১৮ জুন পর্যন্ত মুলতবি

নিজস্ব প্রতিবেদক
জনতার বাণী,
ঢাকা: বিএনপি নেত্রী
বেগম খালেদা জিয়ার
বিরুদ্ধে করা জিয়া
অরফানেজ ট্রাস্ট ও জিয়া
চ্যারিটেবল ট্রাস্ট
দুর্নীতির দুই মামলার
কার্যক্রম ১৮ জুন পর্যন্ত মুলতবি
করেছে পুরান ঢাকায়
স্থাপিত বিশেষ আদালত।
সোমবার শুনানি শেষে
বকশিবাজারে কারা
অধিদপ্তরের প্যারেড মাঠে
স্থাপিত তৃতীয় বিশেষ জজ
আবু আহমেদ জমাদারের
অস্থায়ী আদালত মামলার
কার্যক্রম ১৮ জুন পর্যন্ত স্থগিত
করেন।
এর আগে সকাল ১০টা ১০
মিনিটে গুলশানের বাসা
ফিরোজা ভবন থেকে
আদালতের উদ্দেশে রওনা
হন বিএনপি চেয়ারপার্সন।
বেলা পৌনে ১১টার
দিকে তিনি আদালতে
হাজির হন।
খালেদা জিয়াকে
হাজির করার পর তার
বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দেন
মামলার বাদী ও প্রথম
সাক্ষী দুদকের উপ-পরিচালক
হারুন-অর-রশিদ। পরে
আসামিপক্ষ বাদীর সাক্ষ্য
বাতিলের আবেদন করলে
আদালত তা নামঞ্জুর করে
বাদীকে জেরা করার
আদেশ দেন। সেইসঙ্গে
সাক্ষ্যগ্রহণ ১৮ জুন পর্যন্ত
স্থগিত করেন।
খালেদার পক্ষে শুনানি
করেন বাংলাদেশ সুপ্রিম
কোর্ট আইনজীবী সমিতির
সভাপতি অ্যাডভোকেট
খন্দকার মাহাবুব হোসেন ও
অ্যাডভোকেট এজে
মোহাম্মদ আলী। রাষ্ট্রপক্ষে
শুনানি করেন অ্যাডভোকেট
মোশাররফ হোসেন কাজল।
আজ মামলা দু’টির
সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরার দিন
ধার্য ছিল। এর আগে
নিরাপত্তার অজুহাতে বেশ
কয়েকবার আদালতে
হাজিরা দেননি বিএনপি
নেত্রী।
টানা কয়েকটি ধার্য
তারিখে হাজির না
হওয়ায় গত ২৫ ফেব্রুয়ারি
সাবেক প্রধানমন্ত্রী
খালেদা জিয়াসহ তিন
আসামির বিরুদ্ধে
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
জারি করেন।
৫ এপ্রিল আদালতে
আত্মসমর্পন করে জামিন
আবেদন করলে তাকে
জামিন প্রদান করেন
আদালত।
চলতি বছরের ১৯ মার্চ
খালেদা জিয়াসহ ৯ জনের
বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন
ঢাকার তৃতীয় বিশেষ জজ
আদালতের বিচারক
বাসুবেদ রায়।
মামলার এজাহার থেকে
জানা যায়, জিয়া
চ্যারিটেবল ট্রাস্টের
নামে অবৈধভাবে ৩
কোটি ১৫ লাখ ৪৩ হাজার
অর্থ লেনদেনের অভিযোগ
এনে খালেদা জিয়াসহ
চারজনের বিরুদ্ধে ২০১০
সালের ৮ আগস্ট তেজগাঁও
থানায় একটি মামলা করে
দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।
এ মামলার অপর আসামিরা
হলেন খালেদা জিয়ার
সাবেক রাজনৈতিক সচিব
হারিছ চৌধুরী, হারিছের
তখনকার সহকারী একান্ত
সচিব ও বিআইডব্লিউটিএর
নৌ-নিরাপত্তা ও ট্রাফিক
বিভাগের ভারপ্রাপ্ত
পরিচালক জিয়াউল ইসলাম
মুন্না এবং ঢাকার সাবেক
মেয়র সাদেক হোসেন
খোকার একান্ত সচিব
মনিরুল ইসলাম খান।
অপরদিকে, জিয়া
অরফানেজ ট্রাস্টের ২
কোটি ১০ লাখ ৭১ হাজার
৬৪৩ টাকা আত্মসাতের
অভিযোগ এনে খালেদা
জিয়া ও তারেক রহমানসহ ৬
জনের বিরুদ্ধে ২০০৮ সালের
৩ জুলাই রমনা থানায় আরও
একটি মামলা করে দুর্নীতি
দমন কমিশন (দুদক)। খালেদা
জিয়া ও তারেক রহমান
ছাড়া অন্য আসামিরা
হলেন মাগুরার সাবেক
সংসদ সদস্য কাজী সালিমুল
হক কামাল, ব্যবসায়ী
শরফুদ্দিন আহমেদ,
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের
সাবেক সচিব কামাল
উদ্দিন সিদ্দিকী এবং মরহুম
রাষ্ট্রপতি জিয়াউর
রহমানের ভাগ্নে মমিনুর
রহমান।
গত ৫ এপ্রিল তিন মাস পর
কার্যালয় থেকে বেরিয়ে
আদালতে আত্মসমর্পণ করে
দুর্নীতির দুই মামলায়
জামিন পান তিনি।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ