Home > রাজনীতি > ‘বিএনপিকে ভোট দেয়ার কারণ নেই’

‘বিএনপিকে ভোট দেয়ার কারণ নেই’

আওয়ামী লীগ সরকারের অভাবনীয় উন্নয়নের সুফল ভোগ করায় নৌকার পক্ষে জনগণ তাদের রায় দেবে বলে মনে করেন দলটির সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আবদুর রহমান। বিএনপিকে জনগণ কেন ভোট দেবে, তার যথার্থ কারণ খুঁজে পান না বলেও জানিয়েছেন তিনি।

শুক্রবার বিকেলে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনউয়ে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে ছাত্রলীগের আয়োজিত ‘লিডারশিপ ওরিয়েন্টশন’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।

শিক্ষা কার্যক্রম ও প্রশিক্ষণ কর্মশালার মাধ্যমে আগামীর তরুণ প্রজন্মকে আরো সহনশীল এবং সমাজবান্ধব করে তুলতে ‘লিডারশিপ ওরিয়েন্টশন’ কার্যক্রমের আয়োজন করা হয়।

সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিজয় সুনিশ্চিত বলে বিএনপি নেতাদের দেয়া বক্তব্যের বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে আব্দুর রহমান সাংবাদিকদের বলেন, ‘সুষ্ঠু নির্বাচন হলে বিএনপির বিজয় হবে, এটি আমরা গত জাতীয় নির্বাচন থেকে শুনে আসছি। এটা তাদের নতুন কথা নয়। পুরনো কথাই নতুন করে বলে তারা। তবে বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী শেখ হাসিনা গত ১০ বছরে বাংলাদেশের মানুষকে যে অভাবনীয় উন্নয়ন উপহার দিয়েছেন, তাতে আমি আশা করি যে, বিএনপিকে কোনো অর্থেই ভোট দেয়ার কোনো কারণ নেই।’

তিনি বলেন, ‘মানুষ যদি তাদেরকে ভোট না দেয়, তাহলে তারা কীভাবে বিজয়ী হবে, আমার জানা নেই। আমি মনে করি, দেশের মানুষ এই উন্নয়নের যে চিত্র এবং উন্নয়নের যে সুফল তারা ভোগ করছে, সেই কারণে আওয়ামী লীগের মনোনীত প্রার্থীকেই তারা ভোট দেবে এবং নৌকা মার্কাকেই বিজয়ী করবে।’

নির্বাচন নিয়ে বিএনপির অভিযোগকে ‘ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের চেষ্টা’ অভিহিত করে তিনি বলেন, ‘এই অভিযোগের কোনো ভিত্তি নেই। এটা নেহাতই রাজনৈতিকভাবে ঘোলা পানিতে মাছ শিকারের একটা অপচেষ্টা মাত্র। এ পর্যন্ত ঢাকা সিটির কোথাও কোনো জায়গায় এমন কোনো ঘটনা ঘটেনি, যাতে নালিশ কিংবা অভিযোগ জানানোর কারণ সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি সরকার দলীয় প্রার্থীর পক্ষ থেকেও হয়নি। সুতরাং এটা শুধু রাজনৈতিক অভিযোগ। এই অভিযোগ আমাদের আমলে নেয়ার কারণ নেই।’

সরস্বতী পূজার কারণে নির্বাচন পেছানো দাবির সঙ্গে আওয়ামী লীগ সহমত, এ কথা জানিয়ে দলটির এই শীর্ষ নেতা বলেন, ‘পূজার দিনে নির্বাচন নিয়ে একটা বিব্রতকর অবস্থা বিরাজ করছে। সেটি আমাদেরকেও বিব্রত করছে। ছাত্ররা যে দাবি করছে, আমরাও তাদের সাথে সহমত পোষণ করি। বিষয়টিকে যদি এড়িয়ে যাওয়া যেত, তাহলে এই বিব্রতকর অবস্থা থেকে আমরা সকলেই মুক্তি পেতাম। আসলেই তারিখের গোলমাল হয়েছে পঞ্জিকা দেখে। এই তারিখটি সেভাবে নির্ধারণ করা হয়। আর নির্বাচন কমিশনের নিজস্ব একটা এখতিয়ার আছে নির্বাচনের তারিখ ঠিক করার। সেই জায়গায়টায় একটু ভুল বোঝাবিুঝির সৃষ্টি হয়েছে। এটুকু না হলে ভালো হতো।’

এ সময় ছাত্রলীগের সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাক লেখক ভট্টাচার্য উপস্থিতি ছিলেন।

‘লিডারশিপ ওরিয়েন্টশন’ কার্যক্রমের ব্যাকরণ বঙ্গবন্ধুর ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ এবং ‘কারাগারের রোজনামচা’। পারস্পরিক সংলাপের মাধ্যমে এই কার্যক্রমকে এগিয়ে নিতেই ক্লাস কার্যক্রম শুরু হলো।

অনুষ্ঠানে আলোচনা করেন আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য আব্দুর রহমান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আর্থ অ‌্যান্ড এনভায়রনমেন্টাল সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল।

সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ছাত্রলীগের প্রশিক্ষণবিষয়ক সম্পাদক হায়দার মোহাম্মদ জিতু, শিক্ষা ও পাঠচক্রবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল মাসুদ লিমন। সহযোগিতায় ছিলেন উপ-প্রশিক্ষণ সম্পাদক মো. মেশকাত হোসেন, মো. সোহাগ হোসেন, উপ-শিক্ষা ও পাঠচক্র বিষয়ক সম্পাদক মো. নেয়ামত উল্লাহ তপন ও আনোয়ার হোসেন জীবন।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ