Home > রাজনীতি > তিন সিটিতে বিজয়ীদের ৭৫ ভাগই ব্যবসায়ী

তিন সিটিতে বিজয়ীদের ৭৫ ভাগই ব্যবসায়ী

নিজস্ব প্রতিবেদক
জনতার বাণী,
ঢাকা: বেসরকারি গবেষণা
সংস্থা সুশাসনের জন্য
নাগরিক (সুজন)
জানিয়েছে, তিন সিটি
করপোরেশন নির্বাচনে
নির্বাচিত
জনপ্রতিনিধিদের ৭৫.৫৫
শতাংশ (১৮০ জনের মধ্যে
১৩৬ জন) ব্যবসায়ী।
এক্ষেত্রে মেয়রদের হার
শতভাগ।
সাধারণ ওয়ার্ড
কাউন্সিলরদের মধ্যে
ব্যবসায়ীর হার ৯০.২২
শতাংশ (১২০ জন) এবং
সংরক্ষিত আসনের নারী
কাউন্সিলরদের মধ্যে ২৯.৫৪
শতাংশ (১৩ জন)। নারী
কাউন্সিলরদের মধ্যে
গৃহিনীই সবচেয়ে বেশি-
৩৪.০৯ শতাংশ (১৫ জন)।
বিজয়ী ব্যবসায়ী প্রার্থী
ঢাকা উত্তরে ৬৮.৭৫
শতাংশ, দক্ষিণে ৮০.২৬
শতাংশ এবং চট্টগ্রামে ৭৫
শতাংশ।
সোমবার সকাল সাড়ে
১১টায় ঢাকা রিপোর্টার্স
ইউনিটির সাগর-রুনি
মিলনায়তনে ‘ঢাকা উত্তর,
দক্ষিণ ও চট্টগ্রাম সিটি
করপোরেশন নির্বাচন-কেমন
জনপ্রতিনিধি পেলাম’
শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে
সুজন এ তথ্য জানায়।
সংবাদ সম্মেলনে সুজনের
কেন্দ্রীয় সমন্বয়কারী
দিলীপ কুমার সরকার
জানান, নির্বাচন কমিশনের
ওয়েবসাইটে দেয়া
প্রার্থীদের হলফ নামার ওপর
ভিত্তি করে এ তথ্য
দিয়েছেন তারা।
সুজন জানায়, নির্বাচিত
তিনজন মেয়রের মধ্যে সবাই
শিক্ষিত। এদের ১ জন
স্নাতোকোত্তর।
কাউন্সিলরদের মধ্যে ৪৪.৩৬
শতাংশের শিক্ষাগত
যোগ্যতা এসএসসির নীচে।
সংরক্ষিত আসনের
প্রার্থীদের মধ্যে এর হার
৩৬.৩৬ শতাংশ।
তিন সিটি করপোরেশনের
সব প্রার্থীদের মধ্যে স্বল্প
শিক্ষিতের হার ৪১.৬৭
শতাংশ। স্নাতক ও
স্নাতকোত্তরের হার ২৫.৫৫
শতাংশ।
নির্বাচিত মেয়রদের মধ্যে
এক জনের বিরুদ্ধে মামলা
আছে। অতীতে ২ জনের
বিরুদ্ধে মামলা ছিল। এর
মধ্যে এক জনের বিরুদ্ধে
হত্যা মামলাও ছিল।
সাধারণ আসনের
কাউন্সিলরদের মধ্যে
মামলা রয়েছে ১১ জনের
বিরুদ্ধে। এর মধ্যে ২ জনের
নামে হত্যা মামলা
রয়েছে।
বছরে ৫ লাখ টাকার নিচে
আয় করেন ৪৩.৮৮ শতাংশ
জনপ্রতিনিধি। ৫ থেকে ২৫
লাখ টাকা আয় করেন ৩১.৬৬
শতাংশ। ২৫ থেকে ৫০ লাখ
টাকা আয় করেন ৭.২২
শতাংশ এবং ৫০ লাখ
থেকে ১ কোটি টাকা আয়
করেন ৩.৩৩ শতাংশ
জনপ্রতিনিধি।
তিনি সিটি নির্বাচনে
১৮০ জন নির্বাচিত
প্রতিনিধিদের মধ্যে ৬৫
শতাংশের সম্পদ ২৫ লাখ
টাকার নিচে। ১১.১১
শতাংশ কোটিপতি। মোট
১,১৪২ জন প্রতিনিধির মধ্যে
২৫ লাখ টাকার কম সম্পদের
মালিক ৭৪.৬০ শতাংশ
প্রার্থী নির্বাচনে
প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেও
নির্বাচিত হয়েছে ৬৫
শতাংশ (১১৭ জন)।
নির্বাচিত ১৮০ জন
জনপ্রতিনিধির মধ্যে
ঋণগ্রহীতা ১১.১১ শতাংশ।
১,১৪২ জন প্রার্থীর মধ্যে এই
হার ছিল ৯.৬৩ শতাংশ। ২০
জন ঋণগ্রহীতার মধ্যে
কোটি টাকার অধিক
ঋণগ্রহীতা ৯ জন।
বিজয়ীদের মধ্যে ৭৬.১১
শতাংশ কর প্রদান করেন। ১৩৭
জন কর প্রদানকারীর মধ্যে
৫৬.২০ শতাংশের করের
পরিমাণ ১০ হাজার টাকার
নীচে।
সংবাদ সম্মেলনে সুজন
সম্পাদক ড. সুজন সম্পদাক ড.
বদিউল আলম মজুমদার বলেন,
‘আমরা বিভিন্ন
পর্যবেক্ষণকারী সংস্থার
জরিপ ও গণমাধ্যমের
প্রতিবেদন পর্যালোচনা
করে দেখেছি এবারে
নির্বাচনে জালভোট,
কারচুপি ও দলীয় প্রভাব
পড়েছে। নির্বাচন কমিশন
অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন
অনুষ্ঠানে ব্যর্থ হয়েছে। তাই
তারা জনগণের আস্থাও
হারিয়েছে। এজন্য
প্রতিষ্ঠানটিকে পুনর্গঠন
করা প্রয়োজন।’
এ অবস্থা থেকে মুক্তি
পেতে সংগঠনটির পক্ষ
থেকে বেশ বিছু সুপারিশ
করা হয়েছে।
এর মধ্যে সংবিধানের
বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী
কমিশনের কমিশনারদের
নিয়োগের জন্য আইন প্রণয়ন।
আইনে সার্চ কমিটি গঠনের
বিধান রাখা এবং স্বচ্ছতার
সঙ্গে সৎ, দক্ষ ও সাহসী
ব্যক্তিদের নির্বচন
কমিশনের নিয়োগ দেয়া
এবং সংস্কার প্রক্রিয়ার
মধ্যদিয়ে নির্বাচন কমিশন ও
নির্বাচনী আইনকে আরো
শক্তিশালী করা
উল্লেখযোগ্য।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী
শিরোনামঃ