ছাত্রলীগকে শপথ করালেন ওবায়দুল কাদের

ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের খারাপ খবরের শিরোনাম না হয়ে ইতিবাচক খবরের শিরোনাম হওয়ার শপথবাক্য পাঠ করিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহণ ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের। তার আহ্বানে ‘আমরা খারাপ খবরের শিরোনাম হব না, আমরা ইতিবাচক খবরের শিরোনাম হব’ বলে হাত তুলে শপথ গ্রহণ করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।
সোমবার বিকেলে বিজয় দিবস উপলক্ষে বাংলা একাডেমীর আবদুল করিম সাহিত্যবিশারদ মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ। এ আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তৃতার এক পর্যায়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের শপথবাক্য পাঠ করান তিনি। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগের সভাপতি মো. সাইফুর রহমান সোহাগ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বুদ্ধিজীবী শহিদুল্লাহ কায়সারের কন্যা অভিনেত্রী শমী কায়সার। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদ এস এম জাকির হোসেন।
ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীদের শপথ করিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, যারা বেশি দুর্নীতি করে তারাই বেশি নীতির কথা বলে। যারা বেশি অনিয়ম করে, তারাই বেশি নিয়মের কথা বলে। বাংলাদেশ ছাত্রলীগকে সে দলে দেখতে চাই না। প্রধানমন্ত্রীও এমনটা চান না। ছাত্রলীগ যেন খারাপ খবরের শিরোনাম না হয়। ইতিবাচক খবরের শিরোনাম হয়। অনুপ্রবেশকারীদের কারণে বদনামের ভাগীদার না হয়ে ছাত্রলীগকে সুনামের ধারায় ফিরিয়ে আনতে হবে।
নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশন নির্বাচনে বিএনপির হেরে যাওয়ার কথা উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, নির্বাচনে হেরে গিয়ে বিএনপির আর কিছুই করার নেই। তারা নিজেরা আজ আত্মঘাতী দলে পরিণত হয়েছে। নিজেরাই নিজেদের বেপরোয়া করে তুলছে, নিজেদের দুর্বল করছে। তাই সরকারের বিরুদ্ধে নালিশ করা ছাড়া এখন আর তাদের কোন কিছু করার নেই। নাসিকে হেরে গিয়ে বিএনপির মাথা ঠিক নেই। সারা দুনিয়ায় যে নির্বাচন দৃষ্টান্ত ও মডেল, তাও নাকি রাষ্ট্রের স্তম্ভ ভেঙে দিয়েছে।
মন্ত্রী বলেন, শেখ হাসিনা শুধু মাত্র একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নন, তিনি একজন রাষ্ট্রনায়ক। কারণ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব ভাবেন পরবর্তী নির্বাচনের কথা, রাষ্ট্রনায়ক ভাবেন পরবর্তী প্রজন্মের কথা। আজ শেখ হাসিনার অবস্থান অনেক উপরে, তিনি বিশ্ব দরবারে অনেক উচ্চতায় চলে গেছেন। তিনি আজ দলের থেকেও গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি হিসেবে গড়ে উঠেছেন।

%d bloggers like this: