Home > অন্যান্য > দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন ‘বাকশাল কায়েমের নীলনকশা’

দলীয় প্রতীকে স্থানীয় নির্বাচন ‘বাকশাল কায়েমের নীলনকশা’

নিজস্ব প্রতিবেদক
জনতার বাণী,
ঢাকা: স্থানীয় সরকারের সকল স্তরের নির্বাচনে
দলীয় প্রতীক ও দলীয় মনোনয়নে প্রার্থিতা
নির্ধারণের বিধান রেখে আইন সংশোধনের যে
সিদ্ধান্ত মন্ত্রিপরিষদে গ্রহণ করা হয়েছে তার
প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী।
মঙ্গলবার এক বিবৃতিতে জামায়াতের ভারপ্রাপ্ত
সেক্রেটারী জেনারেল ডা. শফিকুর রহমান বলেন,
‘স্থানীয় সরকারের সকল স্তরে দলীয় প্রতীক ও দলীয়
মনোনয়নের ভিত্তিতে নির্বাচন করার জন্য যে
সিদ্ধান্ত মন্ত্রিপরিষদে গ্রহণ করা হয়েছে তা
রাজনৈতিক উদ্দেশ্য প্রণোদিত ও দুরভিসন্ধিমূলক।
বিবৃতিতে বলা হয়, বর্তমান সরকারের আমলে এ
পর্যন্ত কোনো নির্বাচনই অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ
হয়নি। জাতীয় সংসদ থেকে শুরু করে স্থানীয়
সরকারের সকল স্তরের নির্বাচনে সরকার ব্যালট
ডাকাতির প্রহসনের নির্বাচন করে দলীয় লোকদের
বসিয়েছে। তদুপুরি গোটা প্রশাসনকে দলীয় করন করা
হয়েছে এবং জেলাগুলোতে দলীয় প্রশাসক নিয়োগ
করা হয়েছে।
বর্তমান নির্বাচন কমিশন সম্পূর্ণভাবে সরকারের
আজ্ঞাবহ। এ অবস্থায় দলীয় প্রতীকে ও দলীয়
মনোনয়নের ভিত্তিতে স্থানীয় সরকারের নির্বাচন
অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ হওয়ার আশা করা যায় না।
জাতীয় সংসদ সদস্য, জেলা প্রশাসক ও উপজেলা
চেয়ারম্যানগণ স্থানীয় সরকারের সকল নির্বাচনে
অবৈধভাবে হস্তক্ষেপ করে স্থানীয় প্রশাসনকে
ব্যবহার করে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থীদের যে
বিজয়ী ঘোষণা করবে এতে কোনো সন্দেহ নেই।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, সরকারী দলের নেতারা
রিটার্নিং অফিসারের উপর অবাঞ্ছিত চাপ প্রয়োগ
করে স্থানীয় সরকারের নির্বাচনে বিরোধী দলের
প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র বাতিল করে দিয়ে
আওয়ামী লীগের প্রার্থীদের বিজয়ী ঘোষণা করবে।
এমনকি আওয়ামী লীগের লোকেরা পুলিশ প্রশাসনকে
অবৈধভাবে ব্যবহার করে বিরোধী দলের প্রার্থীদের
গ্রেপ্তার করে নির্বাচনে প্রার্থী হতে দিবে না।
আ. লীগের পেশীশক্তি ও সন্ত্রাসের কাছে গোটা
জাতি যেখানে জিম্মি হয়ে আছে সেখানে জনগণ
ভোটকেন্দ্রে ভোট দিতে যেতেই পারবে না।
তিনি বলেন, এ অবস্থায় গণতন্ত্র বিপন্ন হবে এবং
সরকার একদলীয় বাকশালী শাসন পরিপূর্ণভাবে
জাতির ঘাড়ে চাপিয়ে দিবে।
দলবাজি ষোলকলায় পরিপূর্ণ করে অঘোষিত বাকশাল
কায়েমের নীলনকশা থেকেই এ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা
হয়েছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, অবিলম্বে এ সিদ্ধান্ত
বাতিল করে সবার আগে সকল দলের অংশগ্রহণে
নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে জাতীয় সংসদের
নির্বাচন প্রদান করার জন্য আমরা আবারো জোর
দাবি জানাচ্ছি।
তাই স্থানীয় সরকারের সকল স্তরের নির্বাচনে দলীয়
প্রতীক ও দলীয় মনোনয়নে প্রার্থিতা নির্ধারণের
বিধান রেখে আইন সংশোধনের যে সিদ্ধান্ত
মন্ত্রিপরিষদে গ্রহণ করা হয়েছে তা প্রত্যাখ্যান
করার জন্য আমি দেশবাসীর প্রতি আহ্বান
জানাচ্ছি।’

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী
শিরোনামঃ