Home > জাতীয় > স্যানিটেশন সুবিধা দিতে বিশ্বব্যাংকের ৩০ লাখ ডলার অনুদান

স্যানিটেশন সুবিধা দিতে বিশ্বব্যাংকের ৩০ লাখ ডলার অনুদান

নিজস্ব প্রতিবেদক :
বাংলাদেশে প্রায় ১ লাখ ৭০ হাজার গ্রামীণ দরিদ্র পরিবারকে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা দিতে সহায়তা করছে দাতা সংস্থা বিশ্বব্যাংক।

এ জন্য ৩০ লাখ মার্কিন ডলারের অনুদান অনুমোদন দিয়েছে ওয়াশিংটনে অবস্থিত সংস্থাটির প্রধান কার্যালয়।

বৃহস্পতিবার সংস্থাটির ঢাকা কার্যালয় সূত্র এ তথ্য জানিয়েছে।

সূত্র জানায়, বিশ্বব্যাংকের আউটপুট ভিত্তিক এইড (ওবিএ) স্যানিটেশন ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচির আওতায় বাংলাদেশের গ্রামীণ এলাকায় মোট ১ লাখ ৭০ হাজার দরিদ্র পরিবার স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশনের সুযোগ পাবে। গ্রামীণ দরিদ্র জনগোষ্ঠীকে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবহারে সক্ষম করে তুলতে সরকারের উদ্যোগের সঙ্গে সমন্বয় রেখে বিশ্বব্যাংক, পল্লী কর্ম সহায়ক ফাউন্ডেশনের (পিকেএসএফ) সঙ্গে অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে এবং গ্লোবাল পার্টনারশিপ আউটপুটভিত্তিক এইডের (জিপিওবিএ) আওতায় এই অনুদান দেওয়া হবে।

এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংক আবাসিক কার্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত কান্ট্রি ডিরেক্টর রাজশ্রী পারালকার বলেন, ‘বাংলাদেশ গ্রামীণ এলাকায় উন্মুক্ত স্থানে মলত্যাগের অভ্যাস প্রায় সর্ম্পণূ পরিত্যাগের ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করেছে, যা এখন ১ শতাংশে নেমে এসেছে। এটি বিশেষ করে পাঁচ বছরের কম বয়সি শিশুদের স্বাস্থ্য ঝুঁকি কমাতে সহায়তা করেছে এবং নারী ও কিশোরীদের স্বাস্থ্যগত এবং সামাজিক নিরাপত্তা ও মর্যাদা দিয়েছে। স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়ন হওয়ায় খাবার পানি সরবরাহ ব্যবস্থা ও পরিবেশেরও উন্নয়ন লক্ষ করা গেছে।’

তিনি বলেন, ‘গ্রামাঞ্চলের জন্য ওবিএ স্যানিটেশন ক্ষুদ্রঋণ কর্মসূচি উন্নত স্যানিটেশনের ক্ষেত্রে এসডিজি লক্ষ্য অর্জনে আমাদের চলমান কাজে সম্পূরক ভূমিকা রাখবে এবং গ্রামীণ পরিবারগুলোর সুলভ মূল্যে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সেবা পেতে সহায়ক হবে।’

ওবিএ অনুদানের মোট ২৫ মিলিয়ন মার্কিন ডলার প্রকল্প ব্যয়ের জন্য অংশীদারিত্বমূলক ক্ষুদ্র ঋণ প্রতিষ্ঠানগুলো (এমএফআইআই) থেকে পরিবারভিত্তিক ঋণ সরবরাহে প্রায় ২২ মিলিয়ন ডলার যোগান দেওয়ার মাধ্যমে স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন সুবিধা দিতে সহায়তা করে।

অংশীদারিত্বমূলক ক্ষুদ্রঋণ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে রয়েছে অ্যাসোসিয়েশন ফর সোশ্যাল অ্যাডভান্সমেন্ট (আশা) এবং পিকেএসএফের আরো ২০ সহযোগী প্রতিষ্ঠান। ক্ষুদ্রঋণ ও আউটপুট ভিত্তিক ভর্তূকির সমন্বয়ে স্বল্প আয়ের পরিবারগুলোর জন্য স্থানীয় নির্মাণ প্রতিষ্ঠান থেকে স্বাস্থ্যসম্মত ল্যাট্রিনের জন্য স্বল্প সুদে ঋণ পাওয়া সহজ করবে। ফলে ল্যাট্রিন কেনার পুরো খরচ আগাম পরিশোধে সক্ষম নন, এমন জনগোষ্ঠীর জন্য মোট ক্রয়মূল্য কমে যাবে।

জিপিওবিএ প্রধান ক্যাথেরিন কমান্ডার ও’ ফ্যারেল বলেন, ‘স্বল্প আয়ের গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য অধিকতর স্বাস্থ্যসম্মত, নিরাপদ ও সুলভ মূল্য স্যানিটেশন সেবা দিতে একটি ফলভিত্তিক প্রয়াসে সহায়তা করার ক্ষেত্রে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে অংশীদার হতে পেরে জিপিওবিএ গর্বিত।’

তিনি বলেন, ‘এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের নবায়ণযোগ্য জ্বালানি খাতে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে, আমরা ফলভিত্তিক পদক্ষেপের এবং অন্যান্য খাতে প্রয়োগ করা পাঠের ফল দেখার অপেক্ষায় রয়েছি। একই সঙ্গে আমরা দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মৌলিক সেবার সুযোগ বাড়াতে উন্নয়ন সহযোগী ও কমিউনিটির সঙ্গে কাজ করছি।’

এই কর্মসূচি গ্রামীণ স্যানিটেশন খাতে বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ উৎসাহিত করতে বিশ্বব্যাংকের চলমান স্যানিটেশন বিপণন কার্যক্রমের সঙ্গে সুসমন্বিত হবে।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ