Home > জাতীয় > গুলশান-১ কাঁচাবাজারে ধ্বংসস্তূপ অপসারণ সমাপ্ত

গুলশান-১ কাঁচাবাজারে ধ্বংসস্তূপ অপসারণ সমাপ্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর গুলশান-১ নম্বরে আগুনে পুড়ে ধসে পড়া ডিএনসিসি কাঁচা বাজারের ধ্বংসস্তূপ অপসারণ কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোঘণা করা হয়েছে। ৩ জানুয়ারি গভীর রাতে আগুন লাগার পর মার্কেটের কাঁচাবাজার অংশ ধসে পড়ে।

ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি) মার্কেটের কাঁচাবাজার অংশের ধ্বংসস্তূপ ১৩ দিন ধরে সরানোর পর অপসারণ কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণা করা হল। বৃহস্পতিবার দুপুর ১টায় মার্কেটের দোকান মালিক, ডিএনসিসি’র কর্মীবাহিনী, সেনাবাহিনীর সদস্য, ফায়ার সার্ভিসের সদস্য ও উৎসুক জনতার উপস্থিতিতে ডিএনসিসি মেয়র আনিসুল হক এ ঘোষণা দেন।

বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের সহায়তায় ডিএনসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. সাঈদ আনোয়ারুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে ডিএনসিসি’র যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগের লে. কর্নেল এম এম সাবের সুলতানের নেতৃত্বে এই অপসারণ কাজ চলে। আনুমানিক ৬ হাজার টন ধ্বংসস্তূপ অপসারণ করা হয়েছে।

৩ জানুয়ারি দিবাগত রাতে আগুন লাগার খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৪টার দিকে মার্কেটের সামনে আসেন ডিএনসিসি’র প্রকৌশল বিভাগের কর্মকর্তারা। সকালে মেয়র পরিদর্শনে এসে দ্রুত আগুন নেভানো এবং উদ্ধার তৎপরতা চালানোর জন্য ডিএনসিসি’র সংশ্লিষ্ট সকল বিভাগকে নির্দেশ দেন।

সে সময় দমকল বাহিনীর পাশাপাশি ডিএনসিসি’র ৩টি পানির বাউজার নিয়োজিত করা হয়। ৪ জানুয়ারি বিকেল নাগাদ অগ্নি নির্বাপনে সহায়তার জন্য ডিএনসিসি’র যান্ত্রিক বহরে যুক্ত হয় ২টি পে-লোডার, ১টি ব্যাক-হো, ২টি টাওয়ার লাইট এবং ১টি ট্রাক্টর। আগুন পুরোপুরি নিভে যাওয়ার পর ৬ জানুয়ারি সকাল ৬টা থেকে ডিএনসিসি’র আরও ১টি এক্সকাভেটর ও ৬টি ডাম্প ট্রাক ভবনের ভেঙে পড়া অংশ অপসারণ কাজে নিয়োজিত হয়। পরে আরও ১৯টি ডাম্পট্রাক ও ৬টি গ্যাসকাটার এ কাজে যুক্ত হয়। ১১ জানুয়ারি সকাল ৮ টায় কাজে অংশ নেয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের পক্ষ থেকে ১টি এক্সকাভেটর, ২টি হ্যামার এক্সকাভেটর, ১টি হুইল ডোজার ও ৪টি ডাম্পট্রাক।

ডিএনসিসি ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ১৪ স্বতন্ত্র ইঞ্জিনিয়ারিং ব্রিগেডের যৌথ প্রচেষ্টায় ১৮ জানুয়ারি দুপুর নাগাদ মার্কেটের ধ্বংসাবশেষ ও বর্জ্য অপসারণ কাজ শেষ হয়।

আনুষ্ঠানিকভাবে ধ্বংসস্তূপ অপসারণ কার্যক্রমের সমাপ্তি ঘোষণাকালে অন্যান্যের মধ্যে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর চিফ অফ ইঞ্জিনিয়ারিং কোর মেজর জেনারেল মোঃ সিদ্দিকুর রহমান, ডিএনসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মেসবাহুল ইসলাম, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা কমোডর আবদুর রাজ্জাক, প্রধান প্রকৌশলী ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মোঃ সাইদ আনোয়ারুল ইসলাম, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এসএমএম সালেহ ভূঁইয়া, ডিএনসিসি সচিব দুলাল কৃষ্ণ সাহা, যান্ত্রিক প্রকৌশল বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী লে. কর্নেল এম এম সাবের সুলতান, প্রধান সম্পত্তি কর্মকর্তা মোঃ আমিনুল ইসলাম ও ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ