Home > জাতীয় > কারওয়ান বাজারে দুইশ দোকান পুড়ে ছাই

কারওয়ান বাজারে দুইশ দোকান পুড়ে ছাই

নিজস্ব প্রতিবেদক

জনতার বাণী,

ঢাকা: অগ্নিকাণ্ডে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে

অন্তত ২০০ দোকান পুড়েছে। এতে প্রায় ১০ কোটি

টাকার সম্পদের ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন

সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীরা।

রবিবার রাতে জনতা টাওয়ারের পেছনের

টিনশেডের দোতলা হাসিনা মার্কেটের পুড়ে

যাওয়া এই দোকানগুলোর অধিকাংশই ছিল মসলার

আড়ত। এর বড় অংশে ছিল আদা, রসুন, পিঁয়াজ, মরিচের

আড়ত। হলুদ-মরিচ গুঁড়া করার কিছু মিলও ছিল।

পাশাপাশি লেপ তোষকের দোকান এবং খাবার

দোকানও ছিল সেখানে।

প্রত্যক্ষদর্শী ও বাজার কমিটির কর্মচারী মো.

জাকির হোসেন সাংবাদিকদের বলেন, আগুনের

সূত্রপাত যেখানে হয়, ঠিক সেখানেই আমি টাকা

কালেকশন করছিলাম। হঠাৎ আগুন আগুন চিৎকারেই তা

চোখে পড়ে। পরে আগুনের লেলিহান চারদিকে

ছড়িয়ে যায়। এতে কমপক্ষে ১০ কোটি টাকার ক্ষতি

হয়েছে। এছাড়া পুড়ে গেছে লাখ লাখ নগদ টাকা।’

তিনি বলেন, এই মার্কেটে বিভিন্ন নিত্যপণ্যের

দোকান, সিগারেটসহ নানা প্রকার মসলার দোকান

আর খাবার হোটেল ছিলো। তিনটি সিগারেটের

দোকানে অন্তত ৪ কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে।

এছাড়া অন্যান্য মসলার দোকানে ৫ থেকে ৬ কোটি

টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় রাত সাড়ে ৯টায় আগুন

নেভানোর পর ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের

মেয়র আনিসুল হক সাংবাদিকদের বলেন, ‘এখানে

১৮৬টি দোকান স্থায়ী বরাদ্দ ছিল। আরও কিছু

অস্থায়ী বরাদ্দ ছিল। সব পুড়ে গেছে।’

রাত পৌনে ৮টায় আগুনের সূত্রপাত হওয়ার পরপরই

তেজগাঁও ফায়ার স্টেশন থেকে অগ্নিনির্বাপক

বাহিনীর কয়েকটি গাড়ি আগুন নেভানোর কাজ শুরু

করে।

তেজগাঁও ফায়ার স্টেশনের কর্মকর্তা তানহারুল

ইসলাম বলেন, ‘ প্রথমে তিনটি ইউনিট গিয়ে আগুন

নেভাতে কাজ শুরু করে।

এরপর অন্য ফায়ার স্টেশনগুলো থেকে অনেকগুলো

গাড়ি আগুন নেভানোর কাজে যোগ দেয়। তার সঙ্গে

যোগ দেয় স্থানীয়রাও।

ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আলী

ঘটনাস্থলে সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের ২৫টি

ইউনিট কাজ করেছে। এখানে আলো ও পানির সমস্যা

ছিল। সবাইকে নিয়ে আগুন নেভানো হয়।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খাঁন কামালও

অগ্নিকাণ্ডের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যান।

তবে কারওয়ান বাজারের এই আগুন কীভাবে লাগল,

সে বিষয়ে অগ্নিনির্বাপক বাহিনী

তাৎক্ষণিকভাবে কিছু জানাতে পারেনি।

পাইকারি মার্কেটের এক দোকান কর্মচারী জসিম

বলেন, ‘উত্তর-পূর্ব কোণে প্রথম আগুন লাগে। এরপর দ্রুত

তা ছড়িয়ে পড়ে।’

আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত এই বাজারটি পরিকল্পিতভাবে

গড়ে তোলার কাজে হাত দেওয়ার প্রতিশ্রুতি

দিয়েছেন মেয়র আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ‘৮ মাস আগে দোকান মালিকদের সঙ্গে

নেগোশিয়েট করেছি। আশা করি, যাত্রাবাড়ী ও

আমিনবাজারের মতো কারওয়ান বাজারকেও সুন্দর

মার্কেটে রূপ দিতে পারব।’

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ