Home > জাতীয় > ‘পুলিশে দিতে আবরারকে সিঁড়িতে নেয়া হয়’

‘পুলিশে দিতে আবরারকে সিঁড়িতে নেয়া হয়’

বাংলাদেশ প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদকে মারধরের পর তাকে ‘শিবির’ হিসেবে পুলিশের হাতে তুলে দিতে শেরেবাংলা হলের দ্বিতীয় তলার সিঁড়িতে নেয়া হয়।

শনিবার আবরার হত‌্যা মামলার আসামি মাজেদুর রহমান মাজেদকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড চেয়ে আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক (নিরস্ত্র) মো. ওয়াহিদুজ্জামান। শুনানি শেষে ঢাকা মহানগর হাকিম নিভানা খায়ের জেসী তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

এর আগে রিমান্ড শুনানির জন্য বেলা ৩টার দিকে আদালতে তোলা হয় মাজেদকে। কাঠগড়ায় ওঠানোর পর বিচারক এজলাসে ওঠার আগে মাজেদ নিজেকে নির্দোষ দাবি করে সাংবাদিকদের বলেন, রাত সাড়ে ১০টার দিকে গালিবের সঙ্গে ২০১১ নম্বর রুমে যাই। সেখানে গিয়ে দেখি, হলের বড় ভাই অনিক আবরারকে মারছে। জুনিয়র হিসেবে ঠেকানোর কোনো উপায় আমাদের ছিল না। তার আগে রবিনসহ কয়েকজন আবরারকে মেরেছে বলে শুনেছি। পরে অবস্থা খারাপ হওয়ায় সেখান থেকে আবরারকে ২০০৫ নম্বর রুমে নিয়ে যায়। সেখানে আবরারের শরীরে মলম লাগায়।

মাজেদ বলেন, মিজান পানি আনতে বললে পানি এনে আবরারকে খাওয়ানো হয়। তার সঙ্গে মোর্শেদ, আফাদ, তোহা ও শামীম বিল্লাহ আরবারকে বাঁচানোর চেষ্টা করে। কিন্তু হলের নিয়ম অনুযায়ী আমরা বড় ভাইদের জোর করে কিছু বলতে পারিনি। অবস্থা খারাপ হওয়ায় অনিক ভাইদের কাছে আবরারকে হাসপাতালে নেয়ার কথা বলি। কিন্তু তারা শোনেননি। পরে অবস্থা আরো খারাপ হলে সিঁড়ির কাছে নিয়ে রাখতে বলে। মোয়াজ, তামিম ও জেমি কোলে করে সিঁড়ির কাছে নিয়ে যায়। পিছে পিছে আমিও ছিলাম। তাই সিসি টিভিতে আমাকে দেখা গেছে। সিঁড়ির কাছে নেয়ার উদ্দেশ্য ছিল- আবরারকে শিবির বলে পুলিশের কাছে ধরিয়ে দেয়া। পুলিশকে ডাকাও হয়েছিল। কিন্তু আবরার মারা যাওয়ায় তাকে পুলিশে দিতে পারেনি। রাত ৩টার দিকে আবরার মারা যায়।

শুক্রবার ভোর ৪টায় সিলেটের শাহ কিরন এলাকা থেকে মাজেদকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশের ধানমন্ডি জোনাল টিম। মাজেদ বুয়েটের উপকরণ ও ধাতু বিদ্যা প্রকৌশল (এমএমই) বিভাগের ১৭তম ব্যাচের ছাত্র।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ