Home > জাতীয় > চামড়া সিন্ডিকেট খুঁজে বের করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

চামড়া সিন্ডিকেট খুঁজে বের করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক: চামড়ার দরপতনের খেলায় মেতে উঠা চক্রকে খুঁজে বের করার জন্য সরকার চেষ্টা করছে বলে জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

শনিবার দুপুরে জাতীয় প্রেসক্লাবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম আয়োজিত বঙ্গবন্ধুর ৪৪তম শাহাদাৎ বার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এ কথা জানান।

চামড়া শিল্পকে পরিকল্পিতভাবে সরকার ধ্বংস করে দিচ্ছে বিএনপি মহাসচিবের এমন বক্তব্যের জবাবে হাছান মাহমুদ বলেন, ‘দেশের পাট শিল্পকে ধ্বংস করেছে বিএনপি। আদমজি জুটমিল কারা বন্ধ করেছিল? ১৯৯১ সালে ক্ষমতায় এসে পাটকল বন্ধ করে দিয়ে বিএনপি একবার পাট শিল্পকে ধ্বংসের পথে নিয়েছে, আবার ২০০১ সালে ক্ষমতায় এসে পাটকল বন্ধ করে দিয়ে পাট শিল্পকে ধ্বংসের চুড়ান্ত পর্যায়ে নিয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘বর্তমান সরকারের আমলে চামড়া শিল্পের রপ্তানি বহুগুনে বেড়েছে। বাংলাদেশের মানুষের ক্রয় ক্ষমতা বেড়েছে, সেই হিসেবে ট্যানারির সংখ্যা বাড়েনি। পরিবেশ সংরক্ষণের কারনে বহু ট্যানারির বন্ধ হয়ে আছে। এই সুযোগ নিয়ে একটি চক্র চামড়া দরপতনের খেলায় নেমেছে। এই চামড়ার দরপতনের খেলায় যারা মেতেছে, সরকার তাদের খুঁজে বের করার চেষ্টা করছে।’

আলোচনা সভায় বঙ্গবন্ধু হত্যার চক্রান্তের সঙ্গে জড়িতদের মুখোশ উন্মোচনের জন্য কমিশন গঠনের দাবি জানান আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক তথ্যমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত এবং পেছন থেকে যারা মদদ দিয়েছে, তাদের খুঁজে বের করতে কমিশন গঠন করার দাবি জানাচ্ছি।’

একই দাবির কথা বলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য আ আ স ম আরেফিন সিদ্দিক।

তিনি বলেন, ‘বিশ্বে অন্য রাষ্ট নায়কদের হত্যার ঘটনায় বিচারিক আদালতের পাশাপাশি কমিশন গঠন করে তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা হয়।বঙ্গবন্ধু হত্যায় জড়িত যারা পালিয়ে আছে, তাদের শাস্তি নিশ্চিত করা এবং বঙ্গবন্ধু হত্যার সঙ্গে জড়িত সকল তথ্য জনগনের সামনে উন্মোচন করার স্বার্থে দ্রুত কমিশন গঠন করা দরকার।’

‘কারা, কেন বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছে, কারা পিছনে থেকে ষড়যন্ত্র করেছে, কারা হত্যাকারীদের মদদ দিয়েছে, সেটা জনগনের সামনে উন্মোচন করার জন্য কমিশন গঠন করা দরকার।’

ইকবাল সোবহান চৌধুরীর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক আব্দুস সবুর, বিএসএমএমইউয়ের উপাচার্য কনক কান্তি বড়ুয়া, জাতীয় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক ফরিদা ইয়াসমিন, বিএফইউজের সাবেক সভাপতি মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল, সাবেক মহাসচিব উমর ফারুক চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কুদ্দুস আফ্রাদ, ডিইউজের সাধারণ সম্পাদক সোহেল হায়দার চৌধুরী বক্তব্য রাখেন।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ