Home > জাতীয় > গলায় রশি দিয়ে যেভাবে হত্যা করা হয় সায়মাকে

গলায় রশি দিয়ে যেভাবে হত্যা করা হয় সায়মাকে

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজধানীর ওয়ারীর বনগ্রামের স্কুলছাত্রী সামিয়া আফরিন সায়মা হত্যার ঘটনা ঘটে শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাড়ে ৬টার মধ্যে। ওইদিন মাকে বলে শিশু সায়মা আট তলায় যায়। সেখানে ফ্ল্যাট মালিক পারভেজের একটি শিশু সন্তান রয়েছে। তার সঙ্গে সায়মা প্রায়ই খেলাধুলা করতে যেতো। সায়মা ওই বাসায় গেলে পারভেজের স্ত্রী জানান তার মেয়ে ঘুমাচ্ছে।

সেখান থেকে বাসায় ফেরার উদ্দেশ্যে লিফটে উঠে সায়মা। সেখানেই সায়মার সঙ্গে দেখা হয় পারভেজের খালাতো ভাই হারুনের। হারুন সায়মাকে লিফট থেকে ছাদ দেখানোর প্রলোভন দেখায়। সায়মা আগ্রহ প্রকাশ করলে হারুন তাকে নিয়ে ছাদে যায়।

রোববার দুপুরে ঢাকা মহানগর পুলিশের মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশন্স বিভাগের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এভাবেই হত্যার ঘটনার বর্ণনা দেন অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) আব্দুল বাতেন।

তিনি বলেন, ছাদে অত্যন্ত পাশবিকভাবে জোরপূর্বক সায়মাকে ধর্ষণের চেষ্টা করে হারুন। সায়মা চিৎকার করতে থাকলে তার মুখ চেপে ধরে ধর্ষণ করে সে। পরে সায়মাকে নিস্তেজ দেখে গলায় রশি লাগিয়ে টেনে নিয়ে যায় রান্না ঘরে। সেখানে সিঙ্কের নিচে সায়মার মরদেহ রেখে পালিয়ে যায়।

আব্দুল বাতেন বলেন, আসামি হারুন পারভেজের খালাতো ভাই। সে পারভেজের রঙয়ের দোকানে কাজ করত। সেই সুবাদে ওই বাসাতেই থাকতো হারুন।

তিনি বলেন, ‘এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত কুরুচির পরিচায়ক। মানবতাবিরোধী অপরাধ। সাধারণত ধর্ষণের পর অপরাধী যখন ভাবে এ অপকর্মের কারণে সে বাঁচতে পারবে না তখনই হত্যার মতো ঘটনা ঘটায়। এ ক্ষেত্রেও তাই ঘটিয়েছে ঘাতক হারুন।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার রাতে বনগ্রামে নবনির্মিত একটি ভবনের ভেতরে সায়মাকে মৃত অবস্থায় দেখতে পান পরিবারের সদস্যরা। রাত ৮টার দিকে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। ওয়ারী সিলভারডেল স্কুলে নার্সারিতে পড়তো সায়মা।

সায়মার বাবা আব্দুস সালাম বাদী হয়ে ওয়ারী থানায় মামলা করেন। এর আগে ভবন মালিকসহ পাঁচজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে পুলিশ।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ