Home > জাতীয় > ব্লগার অভিজিৎ হত্যায় অংশ নেয়া সাতজন চিহ্নিত

ব্লগার অভিজিৎ হত্যায় অংশ নেয়া সাতজন চিহ্নিত

নিজস্ব প্রতিবেদক
জনতার বাণী,
ঢাকা: মুক্তমনা ব্লগের লেখক
অভিজিৎ রায় হত্যায় অংশ
নেয়া সাতজনকে চিহ্নিত
করেছে ঢাকা মহানগর
গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।
তারা সবাই আনসারুল্লাহ
বাংলা টিমের সদস্য এবং
আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত বলে
জানিয়েছে ডিবি।
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা
পুলিশের যুগ্ম-কমিশনার মো.
মনিরুল ইসলাম গণমাধ্যমকে
বলেন, অভিজিৎ রায়
হত্যাকাণ্ডের মূল অপারেশনে
অংশ নেওয়া সাতজনকে
চিহ্নিত করা হয়েছে। তবে
তাদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় আমরা
পায়নি।
তিনি বলেন, আমরা শুধু তাদের
নিকনেম জানতে পেরেছি।
তাদের পূর্ণাঙ্গ পরিচয় বের
করার চেষ্টা চলছে।
হত্যাকাণ্ডে অংশ নেওয়া
সাতজনই আনসারুল্লাহ
বাংলা টিমের সদস্য। তারা
সবাই আধুনিক শিক্ষায়
শিক্ষিত। তাদের মধ্যে একজন
মেডিকেলের ছাত্র বলে
জানান মনিরুল।
২৬ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে
৯টার দিকে একুশে বইমেলা
থেকে ফেরার পথে
টিএসসির সামনে দুর্বৃত্তরা
চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর
জখম করে অভিজিৎ রায় ও তার
স্ত্রী রাফিদা আহমেদ
বন্যাকে।
তাদের উদ্ধার করে ঢাকা
মেডিকেল কলেজ
হাসপাতালে ভর্তি করা হলে
সেখানে চিকিৎসাধীন
অবস্থায় রাত ১০টা ২০
মিনিটে অভিজিৎ মারা
যান।
গুরুতর আহত বন্যাকে উন্নত
চিকিৎসার জন্য পরবর্তীতে
যুক্তরাষ্ট্রে নেওয়া হয়।
স্বামী-স্ত্রী দু’জনই
যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক
ছিলেন।
হত্যাকাণ্ডের পর ঘটনাস্থলের
পাশ থেকে পুলিশ রক্তমাখা
দু’টি চাপাতি ও একটি
স্কুলব্যাগ উদ্ধার করে।
হত্যাকাণ্ডের পরের দিন
শাহবাগ থানায় অজ্ঞাত
কয়েকজনকে আসামি করে
মামলা করেন অভিজিতের
বাবা শিক্ষাবিদ ড. অজয় রায়।
ওই ঘটনা তদন্তে মাঠে নামে
ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা
পুলিশ (ডিবি)। অভিজিৎ রায়
হত্যা মামলায় শাফিউর রহমান
ফারাবী নামে একজনকে
গ্রেপ্তার করা হয়। তবে
হত্যাকাণ্ডে তার সরাসরি
জড়িত থাকার কোনো প্রমাণ
পায়নি পুলিশ। যদিও সে
বিভিন্ন সময় অভিজিৎকে
অনলাইনে হুমকি-ধমকি
দিয়েছে বলে প্রমাণিত।
পরবর্তীতে মামলাটির
অধিকতর তদন্তে ৫ মার্চ
যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয়
গোয়েন্দা সংস্থা
ফেডারেল ব্যুরো অব
ইনভেস্টিগেশন (এফবিআই)
বাংলাদেশে আসে এবং
ঘটনাস্থল থেকে বেশ কিছু
আলামত সংগ্রহ করে। তবে শেষ
পর্যন্ত আশানুরূপ কিছু আবিষ্কার
করতে পারেনি এফবিআই।
হত্যাকাণ্ডের ঘটনা তদন্তে
সরকারের আন্তরিকতা নিয়ে
প্রশ্ন তোলেন অভিজিতের
বাবা ও স্ত্রী রাফিদা
আহমেদ বন্যা।
বিবিসি বাংলাকে দেওয়া
এক সাক্ষাৎকারে রাফিদা
বলেছেন, ‘তদন্তে আমি সন্তুষ্ট
নই। আর এতে আমি অবাকও নই,
কারণ এটাই হওয়ার কথা ছিল।’
এ বিষয়ে ডিএমপির মুখপাত্র
মনিরুল ইসলাম বলেন,
‘ঢাকাতে অবস্থানকালীন
তার সঙ্গে আমরা
একাধিকবার কথা বলেছি।
এফবিআইও কথা বলেছে।
যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার পরও
কোনো বিষয়ে জানার
প্রয়োজন থাকলে আমরা
এফবিআইয়ের মাধ্যমে তার
সঙ্গে যোগাযোগ করে
বিষয়গুলো জেনেছি। এ
ছাড়া যদি কিছু দেখানোর
থাকে সেটিও এফবিআইয়ের
মাধ্যমে দেখেছি। আমাদের
আন্তরিকতার কোনো ঘাটতি
নেই।’

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ