Home > জাতীয় > দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হতে আরো সময় লাগবে : অর্থমন্ত্রী

দেশ দারিদ্র্যমুক্ত হতে আরো সময় লাগবে : অর্থমন্ত্রী

বিশেষ প্রতিবেদক : অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেছেন, দেশে এখন দরিদ্র লোকের সংখ্যা ২ কোটি। দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে আরো ১০ থেকে ১৫ বছর লাগবে। দেশকে দারিদ্র্যমুক্ত করতে সরকারের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকেও এগিয়ে আসতে হবে।

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে অর্থ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে দেশে কর্মরত স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর প্রতিনিধিদের সঙ্গে প্রাক-বাজেট আলোচনাকালে অর্থমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

গণস্বাক্ষরতা অভিযানের রাশেদা কে চৌধুরী, গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরীসহ বেশ কয়েকটি এনজিওর শীর্ষ কর্মকর্তা অর্থমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকে অংশ নেন। এনজিও প্রতিনিধিদের দাবিগুলো লিখিত আকারে অর্থ সচিবকে দেওয়া হবে বলেও বৈঠকে জানান তারা।

বৈঠকে অর্থমন্ত্রী বলেন, দেশ থেকে দারিদ্র্য বিমোচনে সরকারের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোও কাজ করছে। দারিদ্র্য বিমোচনে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোর কাজ দেখে আমরা উৎসাহিত হয়েছি। কিন্তু এখনো দেশে দুই কোটি মানুষ দরিদ্র আছে। এটা অনেক বড় সংখ্যা। আমাদের দারিদ্র্য বিমোচন কর্মসূচি শুড বি টার্গেট নাম্বার ওয়ান। আগামী ১০ থেকে ১৫ বছর এটা থাকতেই হবে। অ্যাটেনশন দেওয়াটা ভালো, অ্যাটেনশন ইজ গুড ফর দি ইকোনমি।

অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে আগামী অর্থবছরের বাজেটের আকার ৪ লাখ ৬০ হাজার কোটি টাকার মতো হবে বলে আভাস দেন। তবে চলতি অর্থবছর প্রত্যাশা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, বাজেটে যোগাযোগ, বিদ্যুৎ, মানবসম্পদ উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্যানিটেশেন খাত অগ্রাধিকার পাবে। তবে ট্রান্সপোর্টেশন ও বিদ্যুতে বেশি বরাদ্দ থাকবে। এখানে ভালো না হলে তো ইকোনমি ভালো হয় না। বিদ্যুৎ দিতে পারলে মানুষ নিজেরাই উন্নয়ন করে ফেলে।

এনজিওগুলোকে উৎসাহিত করে আবুল মাল আবদুল মুহিত বলেন, আমরাও মনে করি যে, এনজিও অ্যাকটিভিটিস একটু বাড়লে মানুষের কল্যাণ হবে।

বৈঠকে এনজিও প্রতিনিধিরা শিশুদের জন্য আলাদা বাজেট এবং প্রতিবন্ধীদের জন্য মন্ত্রণালয়ভিত্তিক বাজেট বরাদ্দের দাবি জানান।

এছাড়া পিছিয়ে পড়া ও অবহেলিত জনগোষ্ঠীর জন্য আলাদা বাজেট, নারীদের উন্নয়ন এবং কর্মজীবী নারীদের জন্য হোস্টেল নির্মাণের জন্য বাজেটে বরাদ্দ রাখাসহ বেশ কয়েকটি দাবি জানান।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ