Home > জাতীয় > আগামী একুশে গ্রন্থমেলাতেও থাকবে মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু

আগামী একুশে গ্রন্থমেলাতেও থাকবে মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু

ফেব্রুয়ারি থেকে ঢাকায় শুরু হবে অমর একুশে গ্রন্থমেলা। গত কয়েক বছর ধরে আন্তর্জাতিক মানের এই বইমেলায় মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু বিষয়ে প্রকাশিত গ্রন্থের আধিক্য থাকে। আগামী গ্রন্থমেলাকে ঘিরে তারই প্রস্তুতি শুরু করেছে সংশ্লিষ্ট প্রকাশনা এবং দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠানগুলো।

আয়োজক সংস্থা বাংলা একাডেমিসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোতে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০১৮ সালে অনুষ্ঠিতব্য গ্রন্থমেলাতেও প্রাধান্য থাকছে এই দুটো বিষয়ের।

বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের চর্চা, গবেষণা ও প্রচারের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠিত বাংলা একাডেমি প্রতি বছর পুরো ফেব্রুয়ারি মাস অমর একুশে গ্রন্থমেলার আয়োজন করে। বাংলা একাডেমির একটি নিজস্ব মুদ্রণ ব্যবস্থা রয়েছে। একাডেমি প্রতিবছর নিজস্ব ব্যবস্থাপনায় বেশকিছু গ্রন্থ প্রকাশ করে থাকে।

বাংলা একাডেমির উদ্যোগ : ২০১৮ সালের আসন্ন গ্রন্থমেলাকে লক্ষ্য করে একাডেমির পক্ষ থেকে মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে বেশ কিছু গ্রন্থ প্রকাশের উদ্যোগ নিয়েছে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য প্রকাশনা হচ্ছে- বঙ্গবন্ধুর জীবন ও সার্বিক কর্মের ওপর প্রামাণিক গ্রন্থ এবং একাডেমি প্রকাশিত জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ‘কারাগারের রোজনামচা’র ইংরেজি সংস্করণ প্রকাশ। প্রথমবারের মতো এই দুটি বই প্রকাশ করা হচ্ছে।

গত কয়েক বছর ধরে বাংলা একাডেমি অঞ্চলভিত্তিক মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস নিয়ে আলাদা আলাদা খণ্ডে গ্রন্থ প্রকাশ করছে। এবারো এ ধরনের সম্পাদিত গ্রন্থ প্রকাশ করতে যাচ্ছে একাডেমি।

এছাড়া এই কার্যক্রমের অংশ হিসেবে দেশের নতুন প্রজন্মের মানুষ যাতে মুক্তিযুদ্ধ এবং স্বাধীনতার স্থপতির জীবন, কর্ম, তার আন্দোলন-সংগ্রামের ইতিহাস সঠিকভাবে জানতে পারেন- সেই লক্ষ্যে শিশু-কিশোর উপযোগী বিভিন্ন বিষয়ে বই প্রকাশের কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। এই পর্যায়ে কবি ও লেখকদের জাতির জনকের ওপর লেখা নির্বাচিত কবিতা, ছড়া, গল্প পৃথক পৃথকভাবে প্রকাশ করা হবে। এসব প্রকাশনার জন্য ইতিমধ্যে একাডেমি কাজ শুরু করেছে বলে একাডেমির সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্র জানিয়েছে।

এর আগে বাংলা একাডেমি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের লেখা এবং তার ওপর বিভিন্ন লেখকের উল্লেখযোগ্য বেশ কয়েকটি বই প্রকাশ করে। প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে বঙ্গবন্ধুর নিজের লেখা ‘কারাগারের রোজনামচা’ তার জ্যেষ্ঠ কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সার্বিক তত্ত্বাবধানে প্রকাশ করে একাডেমি। এ বইটিসহ বঙ্গবন্ধুর ওপর একাডেমি প্রকাশিত বিভিন্ন বই দেশ-বিদেশের পাঠকদের কাছে বিপুলভাবে গ্রহণযোগ্যতা পেয়েছে।

সূত্র জানায়, এছাড়া বিভিন্ন লেখকের প্রকাশিত বইয়ের মধ্যে রয়েছে শামসুজ্জামান খানের সম্পাদনায় ‘সাতই মার্চের ভাষণ: বহুমাত্রিক বিশ্লেষণ’। এই বইটিতে ঐতিহাসিক সাতই মার্চের ভাষণের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করা হয়েছে। স্বাধীনতা সংগ্রামে বঙ্গবন্ধুর এই ভাষণকে বইটিতে অসাধারণ একটি দলিল হিসেবে মূল্যায়ন করা হয়।

মোনায়েম সরকার সম্পাদিত ‘বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান: জীবন ও কর্ম’ বইটি দুই খণ্ডে প্রকাশ করা হয়। এ দু’টি খণ্ডে বঙ্গবন্ধুর শৈশবকাল ব্রিটিশ ভারতবর্ষ, শিশু-তরুণ মুজিব, বিশ ও তিরিশ দশকের রাজনীতির ধারা, ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন, পাকিস্তানের স্বপ্ন ও যুবক মুজিবের মানসগঠন, ছাত্র ও যুব আন্দোলনে কর্মধারা, ভাষা আন্দোলন, কারাজীবন (১৯৪৯-৫২), আওয়ামী মুসলিম লীগ প্রতিষ্ঠা, গণপরিষদে নেতৃত্ব, আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, ভাষণ (১৯৫৫-৫৮), গণ-অভ্যুত্থানে ভূমিকা, ১৯৭০ সালের নির্বাচন, ১৯৭১ সালের অসহযোগ আন্দোলন, মুক্তিযুদ্ধে বঙ্গবন্ধুর নেতৃত্ব, পাকিস্তানের কারাগারে বঙ্গবন্ধু, স্বদেশ প্রত্যাবর্তন, ১৯৭২-৭৫ জাতিগঠন, দেশ-বিদেশের দলিল-দস্তাবেজ, সাময়িকী, সংবাদপত্র, পূর্ববঙ্গ আইনসভা, পাকিস্তান জাতীয় পরিষদ, বাংলাদেশ গণপরিষদ, জাতীয় সংসদের কার্যবিবরণী, সাক্ষাৎকার, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, পুলিশের গোপন দলিলপত্র। বইয়ের প্রথম খণ্ডে স্বনামধন্য কয়েকজন লেখকের বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে লেখা বেশ কয়েকটি মূল্যায়নধর্মী প্রবন্ধ রয়েছে।

বাংলা একাডেমি প্রকাশিত অন্য বইগুলো হচ্ছে- মাহবুব তালুকদারের ‘খোকা থেকে শেখ মুজিব’। সৈয়দ শামসুল হকের ‘বঙ্গবন্ধুর বীরগাঁথা’। এই বইটিতে জাতির জনকের জীবন ও কর্মের ওপর বিশদ বিবরণ তুলে ধরেছেন সব্যসাচী লেখক সৈয়দ শামসুল হক। শামসুজ্জামান খান সম্পাদিত ‘বঙ্গবন্ধু নানা বর্ণে নানা রেখায়’ এবং ‘বঙ্গবন্ধু স্মারকগ্রন্থ’ বই দুটিতেও বঙ্গবন্ধুর বিভিন্ন কর্ম নিয়ে আলোকপাত করা হয়। স্মারকগ্রন্থ একটি উল্লেখযোগ্য বই হিসেবে পাঠকমহলে সমাদৃত হয়।

একাডেমির পরিচালক ড. জালাল আহেমদ রাইজিংবিডিকে বলেন, এ পর্যন্ত একাডেমি বঙ্গবন্ধুর ওপর যেসব বই প্রকাশ করেছে, পাঠক ও বিক্রেতাদের চাহিদার পরিপ্রেক্ষিতে কোনো কোনো বই নতুন সংস্করণ করা হচ্ছে। ইতোমধ্যে কয়েকটি বই নতুন সংস্করণ করা হয়েছে। এই কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।

তিনি বলেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়েও একাডেমির বেশকিছু প্রকাশনা রয়েছে। এসব প্রকাশনা আগামীতেও অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, মুক্তিযুদ্ধের অজানা ইতিহাস, যুদ্ধের প্রেক্ষাপট, মুক্তিযোদ্ধাদের স্মৃতিকথন, যুদ্ধের ভয়াবহতা, পাকিস্তানিদের বর্বরতা, যুদ্ধ-পরবর্তী বাংলাদেশ ইত্যাদি নানা বিষয় গবেষণা, প্রবন্ধ, ইতিহাস রচনা, উপন্যাস, গল্প, কবিতা হয়ে বার বার ফিরে আসে। আগামী বইমেলাতেও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে অসংখ্য বই প্রকাশ হতে যাচ্ছে।

এ বিষয়ে সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. ইব্রাহীম হোসেন খান রাইজিংবিডিকে বলেন, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক বইগুলোর প্রতি পাঠকের অন্যরকম আগ্রহ রয়েছে। যে কারণে, ছোট-বড় সব প্রকাশনাই প্রতি বছর মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক বই প্রকাশ করছে। বইগুলোর কাটতিও বেশ ভালো। আর বই প্রকাশের এ ধারবাহিকতা মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানার সুযোগ করে দিচ্ছে নতুন প্রজন্মকে।

অমর একুশে গ্রন্থমেলায় মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গ্রন্থের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে : বইমেলায় মুক্তিযুদ্ধকে উপজীব্য করে প্রকাশিত বইয়ের সংখ্যা ক্রমেই বাড়ছে। মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে প্রকাশিত হচ্ছে নানা মাত্রিকতার বই। গত কয়েক বছরের পরিসংখ্যান মুক্তিযুদ্ধের বইয়ের প্রকাশনা বৃদ্ধির ইঙ্গিত দিচ্ছে।

বাংলা একাডেমির তথ্যকেন্দ্রের পরিসংখ্যান অনুসারে, চলতি বছর ২০১৭ সালে ২৮ দিনের মেলায় নতুন বই আসে ৩ হাজার ৬৪৬টি। এর মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের বই হচ্ছে ৯০টি। তবে মেলা ঘুরে দেখা যায়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক নতুন বই এসেছে এর চেয়েও বেশি। কিছু বই মোড়ক উন্মোচন ছাড়াও মেলায় স্থান পায়। ২০১৬ সালে মুক্তিযুদ্ধের বইয়ের সংখ্যা ছিল ৭৫। ২০১৫ সালে ৫৩টি, ২০১৪ সালে মুক্তিযুদ্ধের বই ছিল ৫৭টি এবং ২০১৩ সালে ৬৪টি।

গতবারের বইমেলার এক অনন্য সংযোজন ছিল তাম্রলিপি থেকে প্রকাশিত ৬৪টি জেলার ‘মুক্তিযুদ্ধের কিশোর ইতিহাস’ শিরোনামে ৬৪টি বই। বাংলাদেশের প্রতিটি জেলার মুক্তিযুদ্ধের কিশোর ইতিহাস এতে সন্নিবেশিত হয় ৬৪ জন লেখকের জেলাভিত্তিক আলাদা আলাদা বইয়ে। এ বিরাট কর্মযজ্ঞের উপদেষ্টা ছিলেন বিশিষ্ট কথাসাহিত্যিক মুহম্মদ জাফর ইকবাল। আর গ্রন্থমালা সম্পাদক ছিলেন আমিনুর রহমান সুলতান। সম্পাদনা পরিষদে ছিলেন আহমদ রফিক, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সেলিম, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুবুল হক, অধ্যাপক ড. খোদেজা খাতুন ও অধ্যাপক ড. একেএম জসীম উদ্দীন।

এছাড়া গত বছর মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ে প্রকাশিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ ছিল বাংলা একাডেমি থেকে প্রকাশিত বিভিন্ন জেলার আঞ্চলিক মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, অন্যপ্রকাশ থেকে প্রকাশিত নন্দিত কথাসাহিত্যিক হুমায়ূন আহমেদ-এর ‘মুক্তিযুদ্ধের বাছাই গল্প’ ও রাবেয়া খাতুনের ‘মুক্তিযুদ্ধের বাছাই গল্প’, পাঠশালা থেকে প্রকাশিত সেলিনা হোসেনের ‘মুক্তিযুদ্ধের কিশোর গল্প’, সময় প্রকাশন থেকে কর্নেল (অব.) তৌফিকুর রহমানের ‘গেরিলা ১৯৭১’, সময় প্রকাশন থেকে মুনতাসীর মামুনের ‘রাজাকারের মন’, অনন্যা থেকে ইমদাদুল হক মিলনের মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক উপন্যাস ‘নয়মাস’, অনুপম থেকে মোরশেদ শফিউল হাসানের ‘প্রসঙ্গ মুক্তিযুদ্ধ’, মাওলা ব্রাদার্স থেকে ডা. নুজহাত চৌধুরীর ‘এ লড়াই অনিবার্য ছিল’, ঐতিহ্য থেকে পলাশ দাশের ‘মার্কিন নথিতে উনিশশ’ একাত্তর’, আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে সাযযাদ কাদিরের ‘বাংলাদেশ ১৯৭১ উদ্যত সঙ্গিনের নিচে’।

এছাড়া্ও অন্যপ্রকাশ থেকে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক গল্পের বই শাহাবুদ্দীন নাগরীর ‘আকবর রাজাকার হয়েছিল’, অবসর থেকে তপন চক্রবর্তীর ‘মুক্তিযুদ্ধের ধূসর স্মৃতি : মিজোরামের শরণার্থী’, বাংলা প্রকাশ থেকে ইসহাক খানের ‘বিচ্ছু গেরিলা’, অন্বেষা প্রকাশন থেকে নাজমুল হাসানের ‘মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী জীবন যুদ্ধ’, শিরীন পাবলিকেশন্স থেকে আলেক রোজারিওর ‘যুদ্ধ জয়ের গল্প’, অনন্যা থেকে আমীরুল ইসলামের ‘আমাদের বঙ্গবন্ধু’, অনন্যা থেকে আবু আক্কাস আহমেদের ‘মুক্তিযুদ্ধ : রণাঙ্গন নেত্রকোনা’, একুশে বাংলা প্রকাশন থেকে বিপ্রদাশ বড়ুয়ার মুক্তিযুদ্ধের গল্প ‘সাদা কফিন ও মুক্তিযোদ্ধারা’, ইত্যাদি গ্রন্থ প্রকাশ থেকে শ. ম. শামসুল আলমের মুক্তিযুদ্ধের নাটক ‘স্বপ্নভূমি’, গতিধারা থেকে সরওয়ার মুর্শেদের মুক্তিযুদ্ধের কবিতা ‘মুজিব তোমার পায়রাগুলো’, সাহিত্য কথা থেকে আওলিয়া খানমের ‘একাত্তর ও মুক্তিযোদ্ধা পরিবার’, দি রয়েল পাবলিকেশনস থেকে সৈয়দ ইকবালের ‘মুক্তিযুদ্ধের গল্প ও প্রবন্ধ’, শ্রাবণ প্রকাশনী থেকে রাহাত মিনহাজের ‘সায়মন ড্রিং ও অন্যান্যের একাত্তর’, নন্দিতা থেকে আবুল কাইয়ুমের মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিচারণ ‘মুক্তিযুদ্ধের কথা : রণাঙ্গনে নয় মাস’, পারিজাত প্রকাশনী থেকে মোনায়েম সরকারের ‘মুক্তিযুদ্ধের নির্বাচিত গল্প’, কথাপ্রকাশ থেকে জাফরুল আহসানের কিশোর মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস ‘বাংলাদেশ পেলাম কেমন করে’, দ্য রয়েল পাবলিশার্স থেকে সৈয়দ ইকবালের ‘বঙ্গবন্ধু ও বাঙালির মুক্তির সংগ্রাম’, আহমদ পাবলিশিং হাউস থেকে সৈয়দ মাজহারুল পারভেজের ‘বীরশ্রেষ্ঠর বীরত্বগাথা’, কালিকলম প্রকাশনী থেকে অনুপম হায়াৎ রচিত মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র নিয়ে ‘মুক্তিযুদ্ধের চলচ্চিত্র এবং অন্যান্য’, জাগৃতি প্রকাশনী থেকে নাদীম কাদিরের ‘মুক্তিযুদ্ধ : অজানা অধ্যায়’ ছিল অন্যতম।

আগামী প্রকাশনীর প্রকাশক ওসমান গনি রাইজিংবিডিকে বলেন, মানুষের মধ্যে মুক্তিযুদ্ধের বইমুখী হওয়া একটি বড় বিষয় বলে আমি মনে করি। মুক্তিযুদ্ধ এবং বঙ্গবন্ধু বিষয়ে লিখিত বইয়ের প্রতি পাঠকদের আগ্রহও থাকে বেশি। এটি খুব আনন্দের একটি বিষয়ও।

আগামী গ্রন্থমেলার কার্যক্রম শুরু : এরই মধ্যে ২০১৮ সালের অমর একুশে গ্রন্থমেলার কার্যক্রম শুরু করেছে বাংলা একাডেমি। একাডেমির পক্ষ থেকে মহান একুশের গ্রন্থমেলা ২০১৮’তে অংশ্রগহণে ইচ্ছুক পুস্তক প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানসমূকে তথ্যফরম পূরণ করে একাডেমিতে জমা দেওয়ার আহ্বান করা হয়েছে।

২৬ ডিসেম্বর মঙ্গলবার থেকে ২৮ ডিসেম্বর বৃহস্পতিবার বিকেল ৫টা পর্যন্ত তথ্যফরম ক্রয় ও জমা দেওয়া যাবে। মাসব্যাপী এই গ্রন্থমেলা আগামী পয়লা ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হবে। উৎসাহী প্রকাশকদের একাডেমির ড. মুহম্মদ এনামুল হক ভবনের বিক্রয় ও বিপণন বিভাগ থেকে তথ্যফরম সংগ্রহ করতে অনুরোধ করা হয়েছে। এছাড়া একাডেমির ওয়েবসাইট (www.banglaacademy.org.bd) থেকেও ফরম সংগ্রহ করা যাবে।

বাংলা একাডেমির পরিচালক ও অমর একুশে গ্রন্থমেলা ২০১৮-এর সদস্য সচিব ড. জালাল আহমদ জানান, জমা দেওয়া তথ্যফরম যাচাই-বাছাই করে নির্বাচিত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানকে স্টল বরাদ্দের আবেদনপত্র সরবরাহ করা হবে। মেলায় অংশগ্রহণের জন্য নির্বাচিত প্রকাশনা প্রতিষ্ঠানের অনুকুলে ৮ জানুয়ারি থেকে ১০ জানুয়ারি ২০১৮ সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আবেদনপত্র জমা দেওয়া যাবে। অফেরতযোগ্য নগদ ১ হাজার টাকাসহ আবেদনপত্র একাডেমির কোষাধ্যক্ষ-এর কাছ থেকে সংগ্রহ করে তার কাছেই জমা দিতে হবে।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ