দেশে-বিদেশে সেনাবাহিনীর গ্রহণযোগ্যতা বেড়েছে: প্রধানমন্ত্রী

নিউজ ডেস্ক
জনতার বাণী,
ঢাকা: সেনাবাহিনীর
গ্রহণযোগ্যতা দেশ ও
বহির্বিশ্বে
উল্লেখযোগ্যভাবে
বৃদ্ধি পেয়েছে বলে
দাবি করেছেন
প্রধানমন্ত্রী শেখ
হাসিনা।
তিনি বলেন, ‘আমার
প্রত্যাশা, ঊর্ধ্বতন
নেতৃত্বের প্রতি
আস্থা- বিশ্বাস
দায়িত্ববোধ এবং
সর্বোপরি শৃঙ্খলা বজায়
রেখে সেনা সদস্যরা
স্বীয় কর্তব্য সম্পাদনে
একনিষ্ঠভাবে কাজ
করবেন।’
বৃহস্পতিবার ঢাকা
সেনানিবাসে
সেনাবাহিনী সদর দপ্তরে
জেনারেলস কনফারেন্সে
সেনাবাহিনীর মেজর
জেনারেল ও তদূর্ধ্ব
কর্মকর্তাদের সম্মেলনে
প্রধানমন্ত্রী ও
প্রতিরক্ষামন্ত্রী
শেখ হাসিনা এ সব কথা
বলেন।
তিনি বলেন,
সেনাবাহিনীকে একটি
আধুনিক, যুগোপযোগী
বাহিনী হিসেবে
প্রতিষ্ঠিত করতে
বঙ্গবন্ধু ছিলেন
আত্মপ্রত্যয়ী এবং
দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন
বাস্তবায়নের
ধারাবাহিকতায় গত দুই
মেয়াদে তার সরকার
বাংলাদেশ
সেনাবাহিনীর সার্বিক
উন্নয়নে ব্যাপক
কর্মকান্ড বাস্তবায়ন
করেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন,
সরকারের এই দৃঢ় ও বলিষ্ঠ
পদক্ষেপের ফলে
সেনাবাহিনীর
গ্রহণযোগ্যতা দেশ ও
বহির্বিশ্বে
উল্লেখযোগ্যভাবে
বৃদ্ধি পেয়েছে।
তিনি ১৯৯৬-২০০১ মেয়াদে
তার সরকারের
সেনাবাহিনীর
সম্প্রসারণ ও
আধুনিকায়নে বিভিন্ন
কর্মকাণ্ড বাস্তবায়নের
কথা উল্লেখ করে বলেন,
বিগত মেয়াদে
অনেকগুলো ইউনিট গঠন,
প্রশিক্ষণের মান
যুগোপযোগী করতে
বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ
প্রতিষ্ঠান এবং পদাতিক
কোরের উন্নয়ন ও এর
কাজের গতিশীলতায় নতুন
করে বাংলাদেশ
ইনফ্যান্ট্রি
রেজিমেন্টাল সেন্টার
প্রতিষ্ঠা করা হয়।
শেখ হাসিনা বলেন,
‘বর্তমান সরকার
সেনাবাহিনীর উন্নয়ন ও
আধুনিকায়নে বিশ্বাসী
এবং সেই অভিষ্ঠ
লক্ষ্যকে সামনে রেখেই
আমরা সেনাবাহিনীর
জন্য প্রয়োজনীয়
পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি।
উন্নয়নের
ধারাবাহিকতায়
সেনাবাহিনীর
ফোর্সেস গোল ২০৩০ এর
বাস্তবায়ন অনেক দূর
এগিয়েছে।’
উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে
সেনাবাহিনীর
অংশগ্রহণের প্রশংসা
করে তিনি বলেন,
‘প্রস্তাবিত পদ্মা
সেতুর আনুষঙ্গিক
অবকাঠামো নির্মাণ এবং
নিরাপত্তার জন্য নবগঠিত
৯৯ কমেপাজিট ব্রিগেড
পূর্ণদ্যোমে দায়িত্ব
পালন করছে।’
এর আগে সেনাবাহিনী সদর
দপ্তরে পৌঁছলে
প্রধানমন্ত্রীকে
অভ্যর্থনা জানান
সেনাবাহিনী প্রধান
জেনারেল ইকবাল করিম
ভূইয়া। সম্মেলনে
প্রধানমন্ত্রী
সেনাবাহিনীর
জেনারেলদের সাথে
মতবিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে
সেনাবাহিনী প্রধান
ইকবাল করিম ভূইয়া,
সেনাবাহিনীর চিফ অব
জেনারেল স্টাফ লে.
জেনারেল মইনুল হোসেইন,
সশস্ত্র বাহিনী
বিভাগের প্রিন্সিপাল
স্টাফ অফিসার আবু
বেলাল মুহাম্মাদ শফিউল
হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য
সচিব আবুল কালাম আজাদ,
প্রতিরক্ষা সচিব কাজী
হাবিবুল আওয়াল ও
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস
সচিব এ কে এম শামীম
চৌধুরী উপস্থিত
ছিলেন।

%d bloggers like this: