করোনার ভ্যাকসিনের জন্য ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ

করোনাভাইরাসের ভ‌্যাকসিন সংগ্রহের জন্য একটি প্রকল্পের অধীনে ৬০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন।

এর আগে সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রিসভার বৈঠক হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গণভবন থেকে ভার্চুয়ালি বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘বিশ্বব্যাপী ৪৬টি করোনা ভ্যাকসিনের ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল হয়েছে। প্রি-ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চলছে ৯১টি ভ্যাকসিনের। যারা ভ্যাকসিন তৈরি করছে, তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়।’

তিনি বলেন, ‘চীনের বেসরকারি কোম্পানি সিনোভ্যাক যে ভ্যাকসিন তৈরি করেছে, সেটার থার্ড ট্রায়ালেরর জন‌্য আইসিডিডিআরবি বাংলাদেশে সরকারের কাছে আবেদন জানানোর পর তা অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। সে ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে একটু লেস প্রাইসে (কম দামে) আমরা ভ্যাকসিন পাবো। রাশিয়ার ক্যামেলিয়া ন্যাশনাল রিসার্চ সেন্টার স্পুটনিক ভি ভ্যাকসিনের প্রযুক্তি বাংলাদেশে হস্তান্তরের জন্য আমাদের অফার দিয়েছে। এটাও বিবেচনায় আছে। এ বিষয়ে রাশিয়ার সঙ্গে যোগাযোগ চলছে। কিন্তু আমরা কন্ডিশন দিয়েছি, এর জন্য ডব্লিউএইচওর অনুমোদন লাগবে।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব জানান, ভ্যাকসিন কেনার জন্য একটি প্রকল্পের আওতায় ৬০০ কোটি টাকার সংস্থান করা হয়েছে। ভ্যাকসিন কেনার জন‌্য অর্থ সংকট হবে না।

ভ্যাকসিন মার্কেটে আসার তারিখ সুনির্দিষ্টভাবে কোনো কোম্পানি বলতে পারছে না, এ তথ‌্য জানিয়ে সচিব বলেন, ‘ভ‌্যাকসিনের যে তালিকাটা দেখলাম, ২০২১ সালের এপ্রিল-জুনের আগে বাজারে আসবে বলে তারা নিশ্চয়তা দিতে পারছে না।’

জনগণকে বিনামূল্যে ভ্যাকসিন দেওয়া হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘ভ্যাকসিনের দাম তো এখনো ফিক্স করা যায়নি। সাধারণ মানুষ যারা কিনতে পারবে না, তাদের জন্য ডেফিনেটলি একটা বড় পোরশন ফ্রি দেওয়া হবে। এটা প্রাথমিক চিন্তাভাবনায় আছে।’

%d bloggers like this: