বিতর্কিত অভিনেত্রীর নিঃসঙ্গ জীবন

মনোবিজ্ঞান ও সাংবাদিকতা দুটি বিষয়ে উচ্চতর ডিগ্রি নিয়েছিলেন। অথচ পেশা হিসেবে মডেলিং ও অভিনয়কে বেছে নেন। শোবিজ অঙ্গনে পা রাখেন মডেলিংয়ের মাধ্যমে। পরবর্তীতে নাম লেখান অভিনয়ে। বলছি, বলিউডের বিতর্কিত অভিনেত্রী সোনু ওয়ালিয়ার কথা।

১৯৮৫ সালে ‘মিস ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়ে বিজয়ী হন সোনু। তাকে সেরার শিরোপার মুকুট পরিয়ে দিয়েছিলেন তার আগের বছরের বিজয়ী জুহি চাওলা। ‘মিস ইন্ডিয়া’ খেতাব জেতার তিন বছর পর নায়িকা হিসেবে বলিউডে ক্যারিয়ার শুরু করেন তিনি।

পরবর্তীতে চলচ্চিত্রে সাহসী ও খোলামেলা দৃশ্যে অভিনয় করতে দেখা যায় তাকে। ‘আকর্ষণ’ চলচ্চিত্রে তার একটি চুম্বন দৃশ্য ঘিরে তখন যথেষ্ট বিতর্ক তৈরি হয়েছিল। কিন্তু ক্রমশ বলিউডে কাজের সুযোগ কমতে থাকে তার। শেষে বাধ্য হয়ে বি গ্রেডের চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেন সোনু। এক সময় ইন্ডাস্ট্রি থেকে হারিয়ে যান তিনি।

২০০০ সালে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী হোটেল ব্যবসায়ী ও প্রযোজক সূর্য প্রতাপ সিংহকে বিয়ে করেন সোনু। বিয়ের পর যুক্তরাষ্ট্রেই বসবাস করতে শুরু করেন তিনি। কিন্তু ২০১০ সালে কিডনি রোগে আক্রান্ত হয়ে মারা যান সূর্য প্রতাপ। স্বামীর মৃত্যুর পর নিঃসঙ্গ হয়ে পড়েছেন এই প্রাক্তন ভারত সুন্দরী। এই অভিনেত্রীকে নিয়ে সাজানো হয়েছে ফটো ফিচার।

১৯৬৪ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি দিল্লিতে জন্মগ্রহণ করেন সোনু। জন্মের পর তার নাম রাখা হয় সোনিয়া। পরে নামকরণ করা হয় সোনু

 

তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘শর্ত’। এটি মুক্তি পায় ১৯৮৬ সালে

 

সোনু অভিনীত ব্যবসাসফল সিনেমা ‘খুন ভরি মাঙ্গ’। এজন্য পার্শ্বনায়িকা হিসেবে ফিল্মফেয়ার পুরস্কার জিতেন তিনি

 

সোনু অভিনীত উল্লেযোগ্য সিনেমা হলো—‘মহাদেব’, ‘তুফান’, ‘ক্লার্ক’, ‘খেল’, ‘ফৌজি’, ‘সাহিবান’ প্রভৃতি

 

সোনুর জীবনে এখন একমাত্র অবলম্বন তার মেয়ে। কিন্তু মেয়েও থাকেন যুক্তরাষ্ট্রে। মাঝে মাঝে মেয়েকে দেখতে দূর পরবাসে পারি জমান এই অভিনেত্রী

%d bloggers like this: