Home > আন্তর্জাতিক > রোহিঙ্গা নিয়ে একটা কিছু করুন, সু চিকে দালাই লামা

রোহিঙ্গা নিয়ে একটা কিছু করুন, সু চিকে দালাই লামা

আন্তর্জাতিক ডেস্ক
জনতার বাণী,
সিডনি: বর্তমান সময়ের
অভিবাসী সংকটে
মিয়ানমার থেকে
বিতাড়িত রোহিঙ্গা
মুসলিমদের পক্ষে ভূমিকা
রাখার জন্য দেশটির
নোবেল বিজয়ী বিরোধী
নেত্রী অং সাং সু চির
প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন
দালাই লামা।
আগামী সপ্তাহে
অস্ট্রেলিয়া সফরে
যাচ্ছেন তিব্বতের
স্বাধীনতাকামী এই ধর্মীয়
নেতা। এর আগে তিনি
বৃহস্পতিবার অস্ট্রেলীয়
একটি পত্রিকাতে দেওয়া
সাক্ষাৎকারে এই আহ্বান
জানিয়েছেন বলে খবর
দিয়েছে বার্তাসংস্থা
এএফপি।
দালাই লামা বলেন, ‘এটি
খুবই দুঃখজনক। মিয়ানমারের
এই ইস্যুতে (রোহিঙ্গা)
নোবেল বিজয়ী অং সাং
সু চির কিছু একটা করা
উচিত।’
দারিদ্র এবং সংখ্যাগরিষ্ঠ
চরমপন্থি বৌদ্ধদের
আক্রমণের হাত থেকে
বাঁচতে মিয়ানমার থেকে
অবৈধ পথে নৌকায় করে
অন্য দেশের উদ্দেশে পাড়ি
জমায় রোহিঙ্গা মুসলিমরা।
দক্ষিণ-পূর্ব সাগরে ভাসমান
অবস্থায় তাদের একটি বড়
সংখ্যক সম্প্রতি উদ্ধার
হচ্ছে।
তবে এখন পর্যন্ত
গণতন্ত্রীপন্থি বিরোধী
নেত্রী অং সাং সু চি এ
বিষয়ে কোনো মন্তব্য
করেননি। রোহিঙ্গা নিয়ে
তার এই অবস্থানে সারা
বিশ্বে সমালোচনার ঝড়
উঠেছে।
পর্যবেক্ষকদের ধারণা,
দেশটিতে আগামী
নভেম্বরে নির্বাচন। সেই
নির্বাচনে বৌদ্ধ
সংখ্যাগরিষ্ঠদের ভোট
হারাতে চান বলেই সু চি
মানবিক এই ইস্যুতে নিশ্চুপ
রয়েছেন।
তিব্বতের এই আধ্যাত্মিক
নেতা রোহিঙ্গা ইস্যুতে
বিশ্বকে সোচ্চার হওয়ার
আহ্বান জানিয়েছেন।
তিনি বলেন, ২০১২ সাল
থেকে সু চির সঙ্গে তার
দুবার দেখা হয়েছে।
সেখানে তিনি রাখাইন
প্রদেশ থেকে স্থানীয়
বৌদ্ধরা যেভাবে মুসলিম
রোহিঙ্গাদের তাড়াচ্ছে,
তা নিয়ে কথা বলেছেন।
দালাই লামা বলেন, ‘লন্ডন
ও চেক রিপাবলিকে আমি
দুবার সু চির সঙ্গে দেখা
করেছি। দুবারই রোহিঙ্গা
ইস্যুতে তার মনোযোগ
আকর্ষণ করেছি।’
‘সু চি আমাকে বলেছেন-
তিনি রোহিঙ্গা ইস্যুতে
কিছু সমস্যা চিহ্নিত
করেছেন। সেগুলো বেশ
জটিল। তবে সেটি যাই
হোক, বর্তমান প্রেক্ষাপটে
সে (সু চি) কিছু একটা করবে
বলে আমি আশা করি’ যোগ
করেন তিনি।
চলতি মাসের শুরুতে দক্ষিণ-
পূর্ব সাগর থেকে
অবৈধভাবে
বাংলাদেশিদের সঙ্গে
রোহিঙ্গাদের উদ্ধারের
পরই অভিবাসী ইস্যুটি
আলোচনায় আসে।
মিয়ানমারের পশ্চিমের
রাখাইন প্রদেশ থেকে
বিতাড়িত হয়ে বহু
রোহিঙ্গা মুসলিম
বাংলাদেশের শরণার্থী
শিবিরে বসবাস করে
আসছে।
দালাই লামা মনে করেন,
শুধুমাত্র এই শরণার্থী শিবির
তাদের জন্য যথেষ্ট নয়।
সেখানে তারা মানবেতর
জীবন যাপন করছে।
তিনি বলেন, ‘মানবতার
কথা বলে আমরা আসলে ভুল
পথে রয়েছি। অন্যের বেঁচে
থাকা, ভালো জীবন নিয়ে
আমরা খুবই কম সচেতন।’
ইতোমধ্যে থাইল্যান্ড,
মালয়েশিয়া ও
বাংলাদেশ মিলে ৩,৫০০
মত সাগরে ভাসমান
অভিবাসীদের উদ্ধার করা
হয়েছে। তবে এখনো কয়েক
হাজার সাগরে ভাসমান
রয়েছে।
এছাড়া থাইল্যান্ড ও
মালয়েশিয়ায় অসংখ্য
গণকবরের সন্ধান পাওয়া
গেছে, যেখানে
বাংলাদেশি এবং
রোহিঙ্গার মরদেহ রয়েছে
বলে ধারণা করা হচ্ছে।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ