Home > আন্তর্জাতিক > জাতিসংঘকে ভালো সময় কাটানোর আড্ডাখান বললেন ট্রাম্প

জাতিসংঘকে ভালো সময় কাটানোর আড্ডাখান বললেন ট্রাম্প

দখলকৃত ফিলিস্তিন ভূখণ্ডে ইসরায়েলের বসতি স্থাপনের নিন্দা জানিয়ে জাতিসংঘের প্রস্তাবনা পাসের পর সংস্থাটির কার্যকারিতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন নবনির্বাচিত মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। জাতিসংঘকে ভালো সময় কাটানোর আড্ডাখানা বলে আখ্যায়িত করেছেন তিনি।

সোমবার এক টুইটার বার্তায় আন্তর্জাতিক এ সংস্থাটি সম্পর্কে ট্রাম্প বলেন, ‘জাতিসংঘের একটি বড় সম্ভাবনা আছে। অথচ এটি এখন লোকজনের মিলনমেলা, কথাবার্তা বলা আর ভালো সময় কাটানোর আড্ডখানায় পরিণত হয়েছে। খুবই দুঃখজনক!’

তবে জাতিসংঘকে কেন অকার্যকর মনে করেন, তার কোনো বিস্তারিত ব্যাখ্যা দেননি তিনি। সংস্থাটির ইসরায়েলি বসতি নির্মাণবিরোধী প্রস্তাবনায় মার্কিন প্রশাসনের ভোটো দেয়া উচিত ছিল বলেও মনে করেন যুক্তরাষ্ট্রের নবনির্বাচিত এই প্রেসিডেন্ট।

এর আগে ইসরায়েল দখলকৃত ভূখণ্ডে ইহুদি বসতি বাড়িয়ে যাচ্ছে, যা ‍ফিলিস্তিনের সঙ্গে দ্বি-জাতিতাত্ত্বিক সমাধান ব্যাহত করতে পারে- এমন ইস্যুতে বসতি নির্মাণবিরোধী ভোটাভুটিতে মার্কিন দূত সামান্থা পাওয়ারকে ভোটদানে বিরত থাকার নির্দেশনা দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা।

ইসরায়েলের বসতি নির্মাণবিরোধী ওই প্রস্তাবনা সম্পর্কে এর আগে শুক্রবার সতর্ক করে দিয়ে ট্রাম্প বলেন, ‘জাতিসংঘে যা হয়েছে, ২০ জানুয়ারির পর সবকিছু পাল্টে যাবে।’ ওইদিনই মার্কিন প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প।

ফিলিস্তিন-ইসরায়েল ইস্যুতে ‘অত্যন্ত নিরপেক্ষ’ থাকতে চান বলে গত বছরের ডিসেম্বরে ঘোষণা দিয়েছিলেন তিনি। তবে নির্বাচনী প্রচারণা যতই এগোতে থাকে তার ইসরায়েলপন্থি অবস্থান ততই পরিষ্কার হতে থাকে।

প্রসঙ্গত, গত বুধবার (২১ ডিসেম্বর) ইসরায়েলি বসতি স্থাপনকে বেআইনি উল্লেখ করে একটি প্রস্তাব পাসের উদ্যোগ নেয় মিসর। প্রস্তাবটি ঠেকাতে নেতানিয়াহু ট্রাম্পকে ফোন দেন। পরে ট্রাম্পের হস্তক্ষেপে প্রস্তাবটি ফিরিয়ে নেয় মিসর। এরপর শুক্রবার (২৩ ডিসেম্বর) এ বিষয়ে একটি নতুন প্রস্তাব উত্থাপন করে অস্থায়ী সদস্য নিউজিল্যান্ড, মালয়েশিয়া, ভেনেজুয়েলা ও সেনেগাল। ভোট হলে ১৫ সদস্যের পরিষদে ১৪টি রাষ্ট্রই প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দেয়। শুধু যুক্তরাষ্ট্র ভোটদানে বিরত ছিল।

১৯৬৭ সালের আরব-ইসরায়েল যুদ্ধের থেকে পূর্ব-জেরুজালেম দখল করে সেখানে বসতি স্থাপন অব্যাহত রেখেছে ইসরায়েল। আন্তর্জাতিক আইনে এ বসতি স্থাপন অবৈধ বিবেচনা করা হলেও দেশটি তা মানতে নারাজ। এ নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই সংঘাত চলে আসছে ওই ভূখণ্ডে। নব্বইয়ের দশকের শুরু থেকে ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনের মধ্যে বেশ কয়েক দফায় শান্তি আলোচনা হলেও তা ব্যর্থ হয়।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ