আমেরিকাকেও ‘ঠান্ডা’ করতে পারি, ভারত তো শিশু: চিন

ভারতকে ফের সতর্ক করল চিন। দলাই লামাকে ‘তাস’ হিসাবে ব্যবহার করে বেজিংকে বেকায়দায় ফেলা যাবে না, দাবি চিনা সংবাদসংস্থার। নয়াদিল্লি ‘বখে যাওয়া শিশু’র মতো আচরণ করছে, গ্লোবাল টাইমস-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এমটাই উল্লেখ করা হল। ‘ডোনাল্ড ট্রাম্পের মতো ব্যক্তিত্বও চিনকে সমঝে চলেন’, এই বলে যেন নয়াদিল্লিকে আরও একবার হুঁশিয়ারিই দিল বেজিং।

গ্লোবাল টাইমস-এ প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে, “ভারত মাঝেমধ্যে বখে যাওয়া শিশুর মতো আচরণ করে। বিশ্বের বৃহত্তম গণতন্ত্র হওযার সুবাদে তাঁদের এই আচরণ শোভনীয় নয়। এক মহান জাতি হওয়ার ক্ষমতা রয়েছে ভারতের, কিন্তু তাদের দূরদৃষ্টির অভাব প্রকট।” তাইওয়ান ইস্যুতে ট্রাম্পকে কী ভাবে ঠান্ডা করে দিয়েছে বেজিং, তা যেন মাথায় রাখে নয়াদিল্লি, সতর্ক করল চিন।

ওই প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, “ব্যক্তিগত স্বার্থ সুরক্ষিত রাখতে চিন দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। ট্রাম্প চিনকে কোণঠাসা করতে গিয়েছিলেন, কিন্তু তিনিও বুঝতে পেরেছেন চিনা সংহতি অটুট, অপ্রতিরোধ্য। সরাসরি উল্লেখ না করলেও বিতর্কিত দক্ষিণ চিনা সাগর থেকে মার্কিন ‘আনম্যানড আন্ডারওয়াটার ভেহিকল’ উদ্ধারের ঘটনারও পরোক্ষ উল্লেখ রয়েছে ওই প্রতিবেদনে। স্পর্শকাতর ইস্যুতে আমেরিকাও যেখানে চিনকে ঘাঁটাতে সাহস পায়না, সেখানে ভারত কী করে এত সাহস পেল চিনা স্বার্থে আঘাত করার? জানতে চেয়ে দৃশ্যত ক্রুদ্ধ চিনা মিডিয়া।

চিনা বিরোধিতা সত্ত্বেও দলাই লামাকে স্বাগত জানানোয় মঙ্গোলিয়াকে অর্থনৈতিক সাহায্য দেওয়া বন্ধ করেছে চিন। কিন্তু ভারতের কাছে মঙ্গোলিয়ান রাষ্ট্রদূত সাহায্য চাইলে, চিনের চোখরাঙানি অগ্রাহ্য করে উলানবাতোরকে এক বিলিয়ন মার্কিন ডলার সাহায্য করবে বলে জানিয়ে দিয়েছে নয়াদিল্লি। ভারতেই এই পদক্ষেপেই বেজায় চটেছে চিন। তাই সরকারি সংবাদমাধ্যমকে ব্যবহার করে চলছে হুঁশিয়ারি দেওয়ার চেষ্টা।

%d bloggers like this: