Home > সারাদেশ > তানোরে চাচা ভাতিজির প্রেম, অতপর নির্যাতন, ৯৯৯ কল থানায় আটক

তানোরে চাচা ভাতিজির প্রেম, অতপর নির্যাতন, ৯৯৯ কল থানায় আটক

নিজস্ব প্রতিবেদক : রাজশাহীর তানোরে স্কুল পড়ুয়া ভাতিজির সাথে প্রেম লিলায় জড়িয়ে পড়েছেন চাচা নামের লম্পট বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা জানতে পেরে পিতা মাতা মেয়ের প্রতি নির্যাতন চালায় । যার ফলে স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী বাধ্য হয় ৯৯৯এ কল করে । কল করার পর লম্পট চাচা স্কুল ছাত্রী ও তাঁর বাবা মাকে থানা পুলিশ আটক করে থানায় নিয়ে আসে। আসার পর রফাদফায় জিম্মানামায় ছেড়ে দেয়া হয় বলে একাধিক সুত্র নিশ্চিত করেন ।

গত শনিবারে উপজেলার পাচন্দর ইউপি এলাকার চকপাড়া নামক গ্রামে ঘটে ঘটনাটি। এতে করে এমন ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা না নেবার কারনে এলাকাবাসীর মাঝে বিরাজ করছে অসন্তোষ। জানা গেছে উপজেলার পাচন্দর ইউপি এলাকার চকপাড়াগ্রামের মনির নামের এক যুবক লেখাপড়া করে রাজশাহী কলেজে ।

মনির দীর্ঘপ্রায় দুই বছর ধরে দশম শ্রেণী স্কুল পড়ুয়া ভায়ের মেয়ের সাথে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে তোলে। কিন্তু মেয়ের পিতা মাতা কোন ভাবেই মেনে নিতে পারেনি এমন ঘটনা। এরই এক পর্যায়ে চলতি মাসের ২৭ এপ্রিল শনিবার স্কুল পড়ুয়া ছাত্রী ও প্রেমিক চাচা মনিরের সাথে ঘরের দরজা বন্ধ করে প্রেমে লিপ্ত হন । এঅবস্থা দেখে মেয়েকে পিতা মাতা তাকে মারধর করে । মারার ঘটনা মানতে না পেরে মেয়ে ৯৯৯-এ কল করেন । কলের প্রেক্ষিতে থানা পুলিশ মেয়ে চাচা পিতা মাতা সহ অভিযুক্তদের থানায় নিয়ে আসেন। এমন কি অভিযুক্তদের হাতে হ্যান্ডকাপ পরিয়েছিলেন বলেও অনেকে জানান।

গ্রামের বেশ কিছু ব্যাক্তি নাম প্রকাশ না করে বলেন, চাচা ভাতিজির বাড়ি একটাই । তাদের সম্পর্কের ঘটনা অনেকেই জানতো । কিন্তু তাঁরা ধনাঢ্য হবার কারনে কেউ কিছু বলত না ।

ঘটনার দিন ইউপি সদস্য আ”লীগ নেতা রিয়াজ উদ্দিন তাদের বাড়িতে গিয়ে সব ঘটনা শোনেন এবং বাড়িতে কাউকে প্রবেশ করতে দেয়নি তিনি। সবাইকে পুলিশ তুলে নিয়ে যাবার পর গ্রামবাসী মনে করেছিল এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা হবে।

ইউপি সদস্য রিয়াজের কাছে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান, তাদের সাথে আমার চলাফেরা নাই। ঘটনার দিন আপনি তাদের বাড়িতে গিয়ে সব শুনেছেন এমন প্রশ্ন করা হলে এড়িয়ে গিয়ে বলেন এসব ব্যাপারে পরে কথা বলা হবে।

গত মঙ্গলবার সকালের দিকে থানার অফিসার ইনচার্জ(ওসি) খাইরুল ইসলামের সাথে যোগাযোগ করে ঘটনা সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি জানান ঘটনাটি তদন্ত ওসি ভালো বলতে পারবে । তাঁর সাথে যোগাযোগের পরামর্শ দেন তিনি।

তদন্ত ওসি রাকিবের সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান ছাত্রী রেগে গেলে নানা কিছু করে ফেলে এবং সেই রাগ থেকে ৯৯৯-এ কল করেছিল । ঘটনা শোনার পর জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ