Home > সারাদেশ > দুর্গাপুরে এবার শিক্ষকের অপশারনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন।

দুর্গাপুরে এবার শিক্ষকের অপশারনের দাবিতে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন।

দুর্গাপুর প্রতিনিধি : রাজশাহীর দুর্গাপুর উপজেলার জয়নগর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারি শিক্ষক রেজাউল করিমের অপশারন দাবিতে ক্লাস বর্জন করে বিক্ষোভ ও মানবকন্ধন করেছে শিক্ষার্থী ও অবিভাকরা। গতকাল শনিবার সকাল ১১টার দিকে জয়নগর উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে বিক্ষোভ করে শিক্ষার্থীরা। পরে শিক্ষার্থী ও অবিভাবকরা অপশারন দাবিতে বাজারে মানববন্ধন করেন। এসময় শিক্ষার্তীদের দাবি অতিদ্রুত শিক্ষক রেজাউলের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে এবং স্কুল থেকে বের করে দিতে হবে। বিদ্যালয় থেকে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে কোন শিক্ষার্থী ক্লাসে যাবে না বলে হুশিয়ারি দিয়ে মানববন্ধনে বক্তব্যদেন শিক্ষার্থীরা।

বিদ্যালয়ের নবম শ্রেনীর ছাত্রী পিংকি খাতুন বলেন, গত ১৯শে আগষ্ট শিক্ষাক রেজাউল করিম রাজশাহী শহরের ভোগরইল এলাকার শফিকুলর বাড়িতে অসামজিক কার্যকলাপের সময় হাতেনাতে পুলিশ আটক করে। পরে সেখানে থানা পুলিশকে মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে ছাড়া নিয়ে চলে আসে। তিনি আরো বলেন, শিক্ষক রেজাউল এমন ঘটনা মাঝে মধ্যে ঘটিয়ে থাকেন এমনি তিনি ক্লাসের ছাত্রীদের দিকে কুদৃষ্টি আছে। তাই এমন শিক্ষক প্রতিষ্টানে থাকলে আমরা ক্লাস করবো না। আমরা প্রয়োজনে অন্য প্রতিষ্টানে চলে যাব। আমাদের বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষাথীদের এমন সিদ্ধান্ত নিয়ে আমরা তার অপশারন দাবিতে মানববন্ধন করছি। প্রয়োজন হলে এর চেয়ে বড় আন্দোলন করবো।

এদিকে, দশম শ্রেনীর ছাত্র হোসেন আলী বলেন, শিক্ষক রেজাইল অসামাজিক কার্যকলাপের ঘটনা একাধিক রয়েছে। সে আমাদের ছাত্রীদেও সাথে খারাপ আচরন করেন। তার মতো নষ্টা শিক্ষকের কাছে আমাদের কোন শিক্ষা নেওঅ উচিত হবে না। আমরা অতিদ্রুত তার অপশারন দাবি করছি প্রশাসনের কাছে। প্রসাশন ঘটনার সতত্য যাচাই বাছাই করে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহন করবেন। তা না হলে আমরা এরচেয়ে বড় আন্দোলনে যেতে বাধ্য হবো।

এদিকে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক শাহাজান আলী বলেন, শিক্ষক রেজাউলের বিরুদ্ধে অনেক অভিযোগ রয়েছে। তার পরে সে গত ১৯ আগষ্ট অসামাজিক কার্যকলাপে হাতেনাতে পুলিশের হাতে আটক হয়েছে। এ ঘটনা বিভিন্ন পত্রপত্রিকায় প্রকাশের পরে শিক্ষার্থীরা তার অপশারন দাবি করে ক্লাস কর্জন করে আন্দোলন করছে। আমি শিক্ষার্থীদের ক্লাসে ফিরিয়ে যেতে বলেছি এবং শিক্ষার্থীদের আশ্বাস দিয়েছি। আমরা ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেব।

এদিকে, দুর্গাপুর থানার অফিসার ইনর্চাজ (ওসি) আব্দুল মোতালেব বলেন, ঘটনা সকালেই শুনেছি। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছিল এবং পরিস্থিতি শান্ত রাখতে শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদেও সাথে কথা বলা হয়েছে।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ