Home > শিক্ষাঙ্গন > রাবির ভর্তি পরীক্ষায় ক্যাম্পাসে থাকছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত

রাবির ভর্তি পরীক্ষায় ক্যাম্পাসে থাকছেন ভ্রাম্যমাণ আদালত

স্টাফ রিপোর্টার :
রাজশাহী বিশ্বদ্যিালয়ের (রাবি) ২০১৫-২০১৬ শিক্ষাবর্ষের সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনকারীদের তাৎক্ষনিক শাস্তি নিশ্চিত করতে গতবারের মতো এবারো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকবেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-ভিসি প্রফেসর চৌধুরী সারওয়ার জাহান।

‘ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি রোধে সর্বোচ্চ সর্তক অবস্থানে রয়েছে প্রশাসন। এরই অংশ হিসেবে গতবারের মতো এবারো ক্যাম্পাসে ভ্রাম্যমাণ আদালত থাকছেন। এছাড়া পরীক্ষাকে ঘিরে ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা জোরদার করতে আইন শৃঙ্খলা বাহিনীকে নিদের্শনা দেওয়া হয়েছে। তারা ক্যাম্পাসে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা প্রদান করবে।’ বলেন প্রো-ভিসি প্রফেসর সারওয়ার জাহান।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, কোনো শিক্ষার্থী যদি যেকোনভাবে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করের বা করার চেষ্টা করে, তাহলে তাকে আটক করতে পরীক্ষা কক্ষের দায়িত্বরত শিক্ষককে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অসদুপায় অবলম্বনকারীকে আটক করে ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হবে। এরপর আদালতের বিচারক অসদুপায়ের ধরন বিচার বিশ্লেষণ করে পাবলিক পরীক্ষা নিয়ন্ত্রন আইন-১৯৮০ অনুযায়ী সাজা প্রদান করবেন।

প্রসঙ্গত, গত বছর ভর্তি পরীক্ষা চলকালে প্রথমবারের মতো ক্যাম্পাসে ভ্রাম্যমাণ আদালত রাখা হয়েছিল। সেবার পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের দায়ে ঢাবি, রাবির ছাত্রসহ বেশ কয়েকজন ভর্তিচ্ছুকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদ- প্রদান করেছিলেন ভ্রাম্যমাণ আদালত।
পাবলিক পরীক্ষা অপরাধ আইন:
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন একটি মারাত্মক অপরাধ। পাবলিক পরীক্ষা বিষয়ক অপরাধের শাসত্মির বিধান করার জন্য পাবলিক পরীক্ষা (অপরাধ) আইন, ১৯৮০ প্রবর্তন করা হয়। ধারাগুলো নিম্নরূপ:

৩ নম্বর ধারা : পাবলিক পরীক্ষায় ভুয়া পরিচয় প্রদান অর্থাৎ যিনি (ক) পরীক্ষার্থী না হওয়া সত্ত্বেও নিজেকে পরীক্ষার্থী হিসেবে হাজির করেন অথবা (খ) অন্য কোন ব্যক্তির নামে বা কোন কল্পিত নামে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন তাহলে তিনি সর্বোচ্চ ৫ বছর থেকে ন্যূনতম এক বছরের কারাদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

৯ নম্বর ধারা : পরীক্ষার্থীকে সহায়তা করা অর্থাৎ যিনি কোন পরীক্ষার্থীকে (ক) কোন লিখিত উত্তর অথবা কোন বই বা লিখিত কাগজ অথবা তার কোন পৃষ্ঠা কিংবা তা থেকে কোন উদ্ধৃতি পরীক্ষার হলে সরবরাহ করেন, অথবা (খ) মৌখিকভাবে বা কোন যান্ত্রিক উপায়ে কোন প্রশ্নের উত্তর লেখার জন্য সহায়তা করেন, অথবা (গ) অন্য যে কোন প্রকারে হোক তিনি সর্বোচ্চ পাঁচ বছর সর্বনিম্ন দুই বছর এবং অর্থদণ্ডে দণ্ডিত হবেন।

১১ নম্বর ধারা : যিনি কোন প্রকারে ইচ্ছাকৃতভাবে (ক) কোন ব্যক্তিকে পাবলিক পরীক্ষা সংক্রানত্ম তার দায়িত্ব পালনে বাধা প্রদান করেন, অথবা (গ) পরীক্ষার হলে গোলযোগ সৃষ্টি করেন, তিনি এক বছর পর্যন্ত কারাণ্ড অথবা অর্থদণ্ড অথবা উভয়বিধ দণ্ড দণ্ডিত হবেন।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ