Home > শিক্ষাঙ্গন > অপসারণের সুপারিশের পর ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি

অপসারণের সুপারিশের পর ক্যাম্পাস ছাড়লেন ভিসি

গোপালগঞ্জ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বশেমুরবিপ্রবি) উপাচার্য খোন্দকার নাসিরউদ্দিনকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করেছে তদন্ত কমিটি।

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) তদন্ত কমিটি তাকে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়ার সুপারিশ করে। এরপর রোববার রাত ৯টার দিকে পুলিশ পাহারায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়েন তিনি।

ভিসির ক্যাম্পাস ছাড়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আনন্দ প্রকাশ করে। তবে ভিসিকে অপসারণ না করা পর্যন্ত তাদের আন্দোলন চলবে বলে ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে ভিসির পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। পাঁচ সদস্যের তদন্ত দল বিশ্ববিদ্যালয়ে এসে তদন্ত করে। ড. মো. আলমগীরের নেতৃত্বে গঠিত তদন্ত টিম আহত শিক্ষার্থী, শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের সঙ্গে কথা বলে।

তদন্ত টিম ভিসি প্রফেসর ড. খোন্দকার নাসিরউদ্দিনের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন দুর্নীতির অভিযোগও তদন্ত করে। এরপর রোববার বিকেলে ওই তদন্ত টিমের সদস্যরা ভিসির অপসারণের প্রস্তাব দিয়ে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেন।

চলমান আন্দোলনে নেতৃত্ব দেয়া লোক প্রশাসন বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্রী পিয়তা দে বলেন, ‘আমরা শুনেছি, তদন্ত টিম ইউজিসির চেয়ারম্যানের কাছে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদনে ভিসিকে প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে। একই সঙ্গে ভিসির বিরুদ্ধে নানা দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়ায় দুদককে মামলা করারও সুপারিশ করেছে। একটি যৌক্তিক আন্দোলনে যেকোনো প্রাপ্তিই আনন্দের। কিন্তু এখনই আমরা আনন্দিত হতে চাই না। ভিসি প্রত্যাহার হলেই খুশি।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বলেছেন, ‘১১ দিন লাগাতার আন্দোলনে আমরা ক্লান্ত। এখন আমরা চাই, দ্রুত সময়ে ইউজিসির সুপারিশ বাস্তবায়ন করা হোক।’

এ ব্যাপারে রেজিস্টার প্রফেসর ড. নুরউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘আমরা মিডিয়ার মাধ্যমে জানতে পেরেছি, ইউজিসির তদন্ত টিম প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। আমাদের কাছে এ রিপোর্ট আসবে না। ইউজিসি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রতিবেদন জমা দিয়েছে। শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে যাবে। এটির চূড়ান্ত রূপ পেতে আরো অনেক কাজ বাকী আছে। এ জন্য আরো কিছু সময় অপেক্ষা করতে হবে।’

গত ১১ সেপ্টেম্বর আইন বিভাগের ছাত্রী ও সাংবাদিক ফাতেমা-তুজ জিনিয়াকে সাময়িক বহিষ্কার করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। জিনিয়ার বহিষ্কার নিয়ে ব্যাপক সমালোচনার মুখে ১৮ সেপ্টেম্বর প্রশাসন তার বহিষ্কারাদেশ তুলে নিতে বাধ্য হয়। ১৯ সেপ্টেম্বর থেকে শিক্ষার্থীরা ভিসির বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম, দুর্নীতি, স্বেচ্ছাচারিতার অভিযোগ এনে তার পদত্যাগের দাবিতে আন্দোলন শুরু করে।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

*

শিরোনামঃ