Home > শিক্ষাঙ্গন > রাবির সিনেট অধিবেশন ১৮ মে

রাবির সিনেট অধিবেশন ১৮ মে

রাবি প্রতিনিধি
জনতার বাণী
দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি
সময় (১৪ বছর) পর ১৮ মে
বসতে যাচ্ছে রাজশাহী
বিশ্ববিদ্যালয়ের
(রাবি) সিনেট
অধিবেশন।
১৯৭৩ সালের
বিশ্ববিদ্যালয়
পরিচালনা অধ্যাদেশ
অনুযায়ী
বিশ্ববিদ্যালয়ের
সর্বোচ্চ এ ফোরামের
সর্বশেষ অধিবেশনটি
অনুষ্ঠিত হয় ২০০১ সালের
২৮-২৯ জুন। দীর্ঘদিন পরে
বসলেও এ অধিবেশনকে
সাধুবাদ জানিয়েছেন
শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা।
এবারের অধিবেশনে
একটি নতুন ইনস্টিটিউট,
নতুন বিভাগ ও বাজেট
অনুমোদনসহ
বিশ্ববিদ্যালয়ের
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের
চাকরির বয়সসীমা ৬২
থেকে বাড়িয়ে ৬৫
করার কথা রয়েছে।
৭৩ এর অধ্যাদেশে ২০
অনুচ্ছেদের ক, খ, গ ধারা
অনুযায়ী, সিনেট পরিষদ
গঠনে ১২ ক্যাটাগরিতে
১০৪ জন সদস্য প্রয়োজন। এই
সদস্যদের নিয়ে বছরে
অন্তত একটি বৈঠক হবে,
যেখানে বার্ষিক
বাজেট অনুমোদন,
সিন্ডিকেটের সুপারিশ
করা আইন প্রণয়ন, উপাচার্য
নির্বাচন এবং
গ্র্যাজুয়েট প্রতিনিধি
নির্বাচনাধীন বিষয়
ভোটের মাধ্যমে
নির্ধারিত হবে, যা ওই
অধ্যাদেশের ২২
অনুচ্ছেদে উল্লেখ করা
হয়েছে।
তবে ১৮ মে অনুষ্ঠিত হতে
যাওয়া এই অধিবেশনে
১০৪ সদস্যের সিনেটের
১২টি পদ শূন্য রয়েছে। এ
ছাড়া দীর্ঘদিন ধরে
রাকসু নির্বাচন না
হওয়ায় ফাঁকা রয়েছে
আরও ৫টি পদ। তবে ২৫
সদস্যের গ্র্যাজুয়েট
প্রতিনিধির মধ্যে ২১ জন
রয়েছেন যারা ১৯৯৭
সালে নির্বাচিত। এরপর
থেকে সক্রিয়ভাবে
তারা সদস্য হয়ে আসছেন।
কিন্তু ঢাকা, চট্টগ্রাম ও
জাহাঙ্গীরনগর
বিশ্ববিদ্যালয়ে
নিয়মিত সিনেট
অধিবেশন বসলেও দীর্ঘ
১৪ বছরে রাবিতে
একাধিক উপাচার্য
দায়িত্ব নিয়েও কোনো
সিনেট অধিবেশ
দেননি। ফলে
বিশ্ববিদ্যালয়ের
সিন্ডিকেট এবং
উপাচার্যদের বিশেষ
ক্ষমতায় স্বায়ত্তশাসিত
এ প্রতিষ্ঠানের বিভিন্ন
গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত
নেওয়া হয়েছে। সর্বশেষ
২০১৩ সালের ২০ মার্চ
অধ্যাপক মুহম্মদ
মিজানউদ্দিন
উপাচার্যের দায়িত্ব
নেওয়ার পর এবার বসতে
যাচ্ছে এই অধিবেশন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি
সূত্র জানায়, সিনেটে
স্পিকার মনোনীত
পাঁচজন সংসদ সদস্য
সিনেটের সদস্য থাকার
কথা থাকলেও তা শূন্য
রয়েছে। গত সংসদের
মেয়াদ শেষ হয়ে
যাওয়ায় সিনেটে
আগের সংসদ সদস্যদের
সদস্যপদ বিলুপ্ত হয়। নতুন
সংসদ সদস্যরা
নির্বাচিত হওয়ার পর
জাতীয় সংসদের
স্পিকারের কাছে
মনোনয়ন চেয়ে চিঠি
পাঠানো হয়। কিন্তু
স্পিকার এখনো মনোনয়ন
না দেওয়ায় সংসদ
সদস্যদের পদ পাঁচটি শূন্য
রয়েছে। তবে দীর্ঘদিন
পর হলেও সিনেট
অধিবেশন করতে
সিনেটের বিভিন্ন
ক্যাটাগরির বর্তমান
সদস্যদের নিয়েই সিনেট
অধিবেশন আহ্বান করা
হয়েছে বলে
বিশ্ববিদ্যালয়ের
প্রশাসন সূত্রে জানা
গেছে। দীর্ঘদিন
সিনেটের
রেজিস্ট্রার্ড
গ্র্যাজুয়েট নির্বাচন না
হওয়ায় আগের
নির্বাচিতদের মধ্যে
যারা জীবিত আছেন
তাদের এবং সিনেটের
অন্যান্য ক্যাটাগরির
সদস্যদের নিয়ে
বিশ্ববিদ্যালয়ের
অধ্যাদেশ মেনেই
এবারের সিনেট
অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র
ইউনিয়নের সভাপতি
আয়াতুল্লাহ খোমেনি
জানান, দীর্ঘদিন পর
হলেও বিশ্ববিদ্যালয়ের
সিনেট অধিবেশন হতে
যাচ্ছে শুনে ভাল
লাগছে। কিন্তু রাকসু
নির্বাচন না দিয়ে
শিক্ষার্থীদের
প্রতিনিধিদের বাদ
দিয়ে অধিবেশন কতটা
কার্যকরী হবে তা
দেখার বিষয়।
এ সময় তিনি রাকসু ও
টিএসসিসি দ্রুত চালুর
দাবি জানান।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
রেজিস্ট্রার অধ্যাপক মু.
এন্তাজুল হক জানান,
এবারের অধিবেশনে
বিশ্ববিদ্যালয়ের
বাজেট, নতুন বিভাগ,
‘ইংলিশ এ্যান্ড
এ্যাদার্স ল্যাঙ্গুয়েজ
ইনস্টিটিউট’ অনুমোদন
করা হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
বার্ষিক অধিবেশন
হিসেবেই অনুষ্ঠিত এই
অধিবেশনে কর্মকর্তা-
কর্মচারীদের চাকরির
বয়সসীমা ৬২ থেকে
বাড়িয়ে ৬৫ করাসহ বেশ
কয়েকটি আইন অনুমোদন
দেওয়া হবে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের
উপাচার্য অধ্যাপক মুহম্মদ
মিজানউদ্দিন বলেন,
‘বর্তমান প্রশাসন দায়িত্ব
নেওয়ার পর ২০১৪ সালে
সিনেটের শিক্ষক
প্রতিনিধিদের
নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।
কিন্তু নানা জটিলতার
কারণে রেজিস্ট্রার্ড
গ্র্যাজুয়েটদের নির্বাচন
করা সম্ভব হয়নি। তারপরও
সিনেট অধিবেশন
অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’
আগামী বছর থেকে
নিয়মিত সিনেট
অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে
বলেও আশাবাদ ব্যক্ত
করেন তিনি।

আপনার ওয়েবসাইট তৈরি করতে ক্লিক করুন........
Ads by জনতার বাণী
শিরোনামঃ